fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাৎ-এর অভিযোগ

মিল্টন পাল, মালদা: তৃণমূল পরিচালিত গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে এমজিএনআরইজিএস প্রকল্পে কোন কাজ না করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রধানের বিরুদ্ধে। ঘটনায় বিডিও, জেলা শাসকের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপির বিরোধী দলনেত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াচক ২ নম্বর ব্লকের রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে। অভিযোগ এমজিএনআরইজিএস প্রকল্পে ২০ লক্ষ টাকা দুর্নীতি করেছেন প্রধান।

জানা গিয়েছে,পঞ্চায়েত গঠনের পর থেকে এই গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান কাজ না করে টাকা আত্মসাৎ করছে। এমজিএনআরইজিএস প্রকল্পের অধীনে সব্জি লাগানোর জন্য বেনিফিসিয়ারীদের নামে টাকা বরাদ্দ হয়। কিন্তু দেখা যায় ওই টাকা বেনিফিসিয়ারীদের কাছে না গিয়ে প্রধান টাকা তুলে নিয়েছে। আর এই টাকা আত্মসাত-এর সঙ্গে নির্মাণ সহায়ক থেকে সরকারী আধিকারিকদের একাংশের মদত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন গ্রামের বাসিন্দারা। গ্রামের বাসিন্দা অসীম দাস বলেন, পঞ্চায়েত থেকে সব্জী চাষের জন্য ৪২ হাজার টাকা বরাদ্দ হয়। কিন্তু মাত্র ৮ হাজার টাকা দিয়েছে মশারী ও বাঁশের বেড়া দেওয়ার জন্য। অন্যদিকে সুন্দরায়নের জন্য যে গাছ লাগানোর কথা। সেই গাছও তারা লাগাইনি। অথচ টাকা তুলে নিয়েছে। আমরা গোটা বিষয়টি বিডিও ও জেলা শাসককে জানিয়েছি। আমরা এর তদন্ত চাই।

[আরও পড়ুন- উধাও অনেক সিসিটিভি ফুটেজ, বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লার খুনে উঠছে একাধিক প্রশ্ন]

গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি সদস্য পিংকি রায়ের অভিযোগ প্রায় ২০ন লক্ষ টাকা দুর্নীতি করা হয়েছে। পঞ্চায়েত সদস্যদের না জানিয়ে টেন্ডার করা হয়েছে এবং সমস্ত টাকা আত্মসাৎ করেছে প্রধান ধনী রানী মন্ডল ও গ্রাম পঞ্চায়েতের সরকারি কর্মীরা। এমজিএনআরইজিএস প্রকল্পে ২০ লক্ষ টাকা দুর্নীতি করেছেন প্রধান। উন্নয়নের নামে টাকা লুঠপাট করছে। গোটা বিষয় নিয়ে বিডিও, জেলা শাসককে অভিযোগ জানানো হয়েছে।

যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পঞ্চায়েত প্রধান ধনীরানী মন্ডল। তিনি বলেন বিজেপি সিপিএম চক্রান্ত করছে এবং মিথ্যা ভিত্তিহীন অভিযোগ আনছেন। আমরা কোন উন্নয়নের কাজ করলেই বিরোধীতা করছে। কোন কাজ করতে দিচ্ছে না। গোটা ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূলের মালদা জেলার কো-অর্ডিনেটর দুলাল সরকার বলেন, কেউ দুর্নীতি করলে দল পাশে দাঁড়াবে না। প্রশাসন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।  যদি কেউ দূর্ণীতি করে থাকে তাহলে দল ব্যবস্থা নেবে। এই নিয়ে সরব হয়েছে জেলা বিজেপি। জেলা বিজেপির সহ সভাপতি অজয় গাঙ্গুলি বলেন, দুর্নীতি আর তৃণমূল সর্মাথক শব্দ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শাসক দল ও আমলাদের একাংশের হাত রয়েছে বলে দৃর্ণীতি করছে তার। আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করছি।

 

Related Articles

Back to top button
Close