fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বলরামপুরে বিজেপি নেতার বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

বাবলু ব্যানার্জি, কোলাঘাট: বিধ্বংসী আমফান ঝড় এলাকাবাসীদের সর্বশান্ত করে গেছে। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষতিপুরণ না পাওয়ার ফলে লাগাতার আন্দোলনে শামিল হয়েছিল ভারতীয় জনতা পার্টি। বারবার আন্দোলনের ফলে এবার আঘাত আনল শাসক দল তৃণমূল। অভিযোগ, তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী বিজেপির জেলা নেতা বামদেব গুছাইতের বাড়ি ভাঙচুর করে। স্বভাবতই ওই এলাকায় এখন বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করেছে। যেকোনো মুহূর্তে বড়োসড়ো গন্ডগোলের আশঙ্কাও আছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার সন্ধ্যা নাগাদ শহীদ মাতঙ্গিনী ব্লকের খারুই ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের বলরামপুর গ্রামে। এই ঘটনায় বিজেপির জেলা নেতা বামদেব গুছাইত থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।

জানা যায়, ১৪ জুলাই ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের নিকট অর্থাৎ খারুই ২ গ্রাম পঞ্চায়েতে ডেপুটেশন দেওয়া হয়। ডেপুটেশন এর মূল বিষয় গুলির মধ্যে ছিল প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ক্ষতি হয়নি এমন ব্যক্তিদের টাকা ট্রেজারিতে ফেরত দিতে হবে। পুনরায় যাতে ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষতিপূরণ পায় তার ব্যবস্থা করতে হবে পঞ্চায়েতকে। ক্ষতি হয়নি এমন অনেকে আছে পান বরজের মালিক তারা টাকা পেয়েছে সেই সব বরজ মালিকদের টাকা ফিরিয়ে নিতে হবে। সেই সঙ্গে পরিযায়ী শ্রমিকদের বিষয়টিও দেখতে হবে। প্রধান ওই ডেপুটেশনকে মান্যতা দিয়ে আগামী ১০ দিনের মধ্যে বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু এক মাস হতে যাচ্ছে বিষয়টি প্রায় ধামাচাপা পড়ে যায়। বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা পুনরায় পঞ্চায়েত অফিসে এসে বার চেষ্টা করে। পুনরায় আন্দোলনমুখী মনোভাব নেওয়ার বলেন প্রধান কে। সেই মোতাবেক সোমবার ছিল কর্মসূচি। বিষয়টি থানায় যায়, তমলুক থানার পুলিশ বিজেপির নেতৃত্ব দের থেকে পাঠায়। আলোচনা হয় থানার ওসির সঙ্গে। জেলাশাসক ও শহীদ মাতঙ্গিনী ব্লক প্রশাসনকে জানানো হয়। বিজেপি নেতৃত্ব রা যখন প্রশাসনিক স্তরে আলোচনায় মগ্ন সেই সময় তৃণমূলের কিছু দুষ্কৃতী অতর্কিত আক্রমণ করে করে ওই জেলা বিজেপি নেতার বাড়ি, সেই সঙ্গে ওই এলাকার যত বিজেপির পতাকা ছিল নাবিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

সমস্ত ঘটনাটি বিজেপি নেতা বামদেব গুছাইত অভিযোগ দায়ের করেছে। তমলুক থানায়। সেই সঙ্গে তিনি বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে তারা সাধারণ মানুষের কাছে থেকেই আন্দোলন চালিয়ে যাবেন, যতক্ষণ পর্যন্ত প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষতিপূরণ না পায় ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। সমস্ত বিষয়টি রাজনৈতিকভাবেই মোকাবেলা করা হবে।
অন্যদিকে খারুই দুই অঞ্চলের তৃণমূল নেতা জিতেন্দ্রনাথ ঘোড়াকে ধরা হলে তিনি বলেন যে অভিযোগ করা হচ্ছে তার সত্যতা নেই, আক্রমণের কোন ঘটনা কর্মীরা করেছে কিনা জানা নেই। পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ঠিক নয় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরাই ক্ষতিপূরণ পেয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close