fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সোনাইয়ে পঞ্চায়েত সভাপতি ও সচিবের বিরুদ্ধে কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি জনতার

নুর আহমদ চৌধুরী, সোনাই: সোনাইর রাঙ্গিরঘাট পঞ্চায়েতে ফর্টিন ফাইনান্সে বরাদ্দ প্রায় কোটি টাকার তহবিল আত্মসাতের অভিযোগ আনলেন পঞ্চায়েতের একাংশ নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য ও এলাকার নাগরিকরা। বৃহস্পতিবার রাঙ্গিরঘাটে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে তথ্য সহ জিপি এলাকায় পুকুর চুরির ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেন তাঁরা। জিপির পঞ্চায়েত উপসভানেত্রী জুমি বেগম বড়ভুইয়া, গ্রুপ সদস্য রঞ্জন রবিদাস, বেবুল আহমদ লস্কর, হোসেইন আহমদ লস্কর, মুফিজ উদ্দিন মজুমদার প্রমুখরা ক্ষোভ উগরে দিয়ে জানান, জিপি সভাপতি সম্ভু রবিদাস ও জিপি সচিব দেবব্রত নাথের যুগলবন্দীতে গত তিনটি অর্থবছরে জিপিতে শুধু ফর্টিন ফাইনান্সের বিভিন্ন প্রকল্পেই ক্রমাহ্নয়ে লুট হয়েছে কোটির অংকে অর্থ।

অসংখ্য প্রকল্পে কনস্ট্রাকশন কমিটির চেয়ারম্যানকে অন্ধকারে রেখে ভূয়ো স্বাক্ষরে লুটের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে বলে স্পষ্ট অভিযোগ আনেন তাঁরা। জানান, ২০১৬/১৭ অর্থ বছরে রাস্তা, কূয়ো বিভিন্ন প্রকল্প রূপায়ণের নামে ২৪ লক্ষ উঠানো হয়েছে। সরেজমিনে নামমাত্র কাজ দেখিয়ে সিংহভাগ টাকা জিপি সভাপতি ও জিপি সচিব উভয়ে উদরস্থ করেছেন। একইভাবে ২০১৭/১৮ ও ২০১৮/১৯ অর্থ বছরে মোঠ ৭৪ লক্ষ বরাদ্দের মধ্যে ৬২ লক্ষ টাকা উঠিয়ে নেওয়া হলেও সরেজমিনে কাজের মাত্রা নামমাত্র বলে অভিযোগ উত্থাপন করেন।

আরও পড়ুন: মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর জমানায় সুরক্ষিত নয় রাজ্যের মহিলারা, দাবি এবিভিপি-র

জুমি, রঞ্জনরা জানান, উন্নয়ন মূলক প্রকল্প রূপায়ণের নামে জিপি সভাপতি ও সচিব ক্রমাগতভাবে চূড়ান্ত অরাজকতা চালিয়ে যাচ্ছেন। বৈঠকে রাঙ্গিরঘাট জিপিতে গততিন বছরে ফর্টিন ফাইনান্স প্রায় কোটি টাকার বরাদ্দের বাস্তবায়ন নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত ও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

আরও জানান, এসব অভিযোগ সবিস্তারে উল্লেখ করে গত ২০ জুন কাছাড় জেলা পরিষদের সিইও কে স্মারকপত্র প্রদান করেছেন তারা। দ্রুত তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। স্মারকপত্রের প্রতিলিপি কাছাড়ের জেলাশাসক, বিধান সভার উপাধ্যক্ষ ও সোনাই ব্লকের বিডিওর কাছে সমঝে দেন। এদিনের বৈঠকে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শহিদ আহমদ লস্কর, রিপন আহমদ মজুমদার, মস্তাক আহমদ মজুমদার প্রমুখ।

Related Articles

Back to top button
Close