fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

প্রশিক্ষণ শিবিরের বাইরে বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

নিজস্ব সংবাদদাতা, দিনহাটা: আগামী বিধানসভা ভোটের আগে সংগঠনকে শক্তিশালী করে তুলতে নানাভাবে উদ্যোগী হয়েছে বিজেপি। সেই লক্ষ্যেই দলের বুড়িরহাট ২৫ জেড পি মণ্ডলের প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণ শিবিরের  বাইরে বোমা ছোঁড়ার ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রবিবার দিনহাটা দুই ব্লকের বুড়িরহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসন্তীরহাট বাজারে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হলেও রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের পক্ষ থেকে অবশ্য এই ঘটনা নিয়ে বিজেপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বহিঃপ্রকাশ বলে পাল্টা অভিযোগ আনা হয়। এদিন ঘটনার খবর পেয়েই সেখানে ছুটে যায় সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

বিজেপির দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন জেড পি ২৫ মন্ডলের প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয় বাসন্তীরহাট বাজারে। সেখানে মন্ডল সভাপতি বিনয় রায় সরকারের নেতৃত্বে এই প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়। শিবিরে সংশ্লিষ্ট মণ্ডল কমিটির শতাধিক কর্মী সমর্থক সেখানে অংশ নেয়। কর্মীরা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভিতরে গেলে হঠাৎ বিকট আওয়াজে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। প্রশিক্ষণ শিবির শুরুর আগেই ১০-১২ টি বাইকে করে এসে তৃণমূলের একদল দুষ্কৃতী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বাইরে পরপর বোমা ফাটায়। বিজেপি কর্মী সমর্থকরা বেরিয়ে এলে ওই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ।

[আরও পড়ুন- নন্দীগ্রামে সিপিএম, তৃণমূল ছেড়ে ২০০ কৃষক পরিবার বিজেপিতে যোগ]

বিজেপির জেড পি ২৫ মন্ডল সভাপতি বিনয় রায় সরকার বলেন, “তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা প্রশিক্ষণ শিবিরকে বানচাল করার জন্য এদিন সেখানে বোমা ফাটায়। বিজেপি কর্মী সমর্থকরা বেরিয়ে এলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। নির্ধারিত সময়ে প্রশিক্ষণ শুরু হয়। দলের কোচবিহার জেলা সম্পাদক সুদেব কর্মকার বলেন, “বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল নেতাকর্মীদের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যাচ্ছে। তাই দলের প্রশিক্ষণ শিবিরকে বানচাল করার জন্য এদিন সেখানের বোমা ছোড়ে শাসকদলের দুষ্কৃতীরা। গোটা ঘটনা রাজ্য নেতৃত্ব কে জানানো হয়েছে।”

বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের দিনহাটা দুই ব্লক সভাপতি বিষ্ণু কুমার সরকার, যুব তৃণমূল নেতা তাপস দাস বলেন, “বিজেপি দলের নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে এদিন ওই দলের কর্মীরা নিজেরাই প্রশিক্ষণ শিবিরের সামনে বোমা ছোড়ে। নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের উপর  দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। তৃণমূল নেতৃত্ব বলেন, রাজ্যের  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যে ভাবে উন্নয়ন চলছে তাতে বিজেপি দলের অনেক কর্মী সমর্থক প্রতিদিনই সেই উন্নয়নের শামিল হতে তৃণমূলে যোগদান করেছেন। দিশেহারা হয়ে এখন মিথ্যা অভিযোগ এনে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। আগামী নির্বাচনে রাজ্যের মানুষ তাদেরকে উপযুক্ত জবাব দেবে।” সাহেবগঞ্জ থানার ওসি সৌমাল্য আইচ বলেন,” এখনো কোনো অভিযোগ হয়নি তবে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।”

 

Related Articles

Back to top button
Close