fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কেতুগ্রামে বধূকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ, ধৃত স্বামী সহ ২

নিজস্ব সংবাদদাতা, কেতুগ্রাম: এক বধূকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগে বধূর স্বামী, সতীন ও শাশুড়িকে গ্রেফতার করল কেতুগ্রাম থানার পুলিশ । ধৃতদের নাম ফকির দফাদার, আশিদা বিবি ও মর্জিনা বিবি । ধৃতদের মধ্যে অগ্নিদগ্ধ বধু বাবলি বিবির স্বামী ফকিরের দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী আশিদা বিবি ও মা মর্জিনা বিবি । তাঁদের বাড়ি কেতুগ্রাম থানার এহিয়াপুর গ্রামে ।

শুক্রবার রাতে গ্রেফতারের পর শনিবার ধৃতদের কাটোয়া মহকুমা আদালতে তোলা হলে ফকিরকে তিন দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয় । বাকি দু’জনকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। জানা গিয়েছে, বছর সাঁইত্রিশের বধূ বাবলি বিবির বাপের বাড়ি বীরভূম জেলার লাভপুর থানা এলাকার মন্দারী গ্রামে। কেতুগ্রামের এহিয়াপুর গ্রামের বাসিন্দা ফকির দফাদারের সঙ্গে ১২-১৩ বছর আগে তাঁর দেখাশোনা করে বিয়ে হয়। বর্তমানে তাঁদের একটি ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে।

বাবলি বিবির দাদা হাসিব দফাদার পুলিশের কাছে অভিযোগে জানিয়েছেন, বিয়ের পর থেকেই তার বোনের উপর অত্যাচার চালাতো ফকির ও তার মা৷ এরপর ৮-৯ মাস আগে আসিদা বিবিকে বিয়ে করে ঘরে তোলে ফকির । তারপর থেকে তিনজন মিলে তার বোনের উপর কারনে অকারনে অত্যাচার চালাতে শুরু করে । তিনি বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ফোনে খবর পাই আমার বোনকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা হাসপাতালে যাই । গিয়ে আমারা বাবলিকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় দেখতে পাই । তারপর চিকিৎসা চলাকালীন আমার বোনের অবস্থার অবনতি হলে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় । চিকিৎসকরা জানিয়েছেন আমার বোনের অবস্থা সঙ্কটজনক ।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের সন্দেহ বাবলির স্বামী,শাশুড়ি আর সতীন মিলে তার গায়ে কেরসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে । এনিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি । আমরা চাই দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হোক ।”

জানা গেছে, গত শুক্রবার কেতুগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন অগ্নিদগ্ধ বধূর দাদা । তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে ওই দিন রাতেই তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ । এদিন ধৃতদের আদালতে তোলা হয় ।

Related Articles

Back to top button
Close