fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

চেংদুর মার্কিন দূতাবাসের দূতাবাসের মার্কিন পতাকা নামিয়ে দিল চিন

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত চিন সীমান্ত সমস্যার প্রভাব স্পষ্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের পারস্পরিক সম্পর্কে। তার ওপর রয়েছে করোনা ইস্যুতে মন কষাকষি। সব মিলিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের সম্পর্ক মোটেই ভালো নয়। যুদ্ধ পরিস্থিতির মতোই চেংদুর মার্কিন দূতাবাস থেকে আমেরিকার জাতীয় পতাকা নামিয়ে দিল স্থানীয় প্রশাসন। বেশ কয়েকদিন আগেই চিন আমেরিকার ওই দূতাবাসটি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল। তা সত্বেও ওই দূতাবাসে কাজ চলছিল বলে চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যমের দাবি। এরপর সোমবার দেখা যায় ওই দূতাবাস থেকে মার্কিন পতাকা নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ আমেরিকার সঙ্গে এবার সরাসরি সংঘাতের পথে যেতে চাইছে চিন।

কিছুদিন আগেই হিউস্টনে চিনা কনস্যুলেট বন্ধ করে দেয় আমেরিকা। এরপর প্রত্যাঘাত ছুঁড়ে চিনের চেংদুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেট বন্ধ করার নির্দেশ দেয় পিপলস রিপাবলিক অফ চিন। চিনের বিদেশমন্ত্রক ঘোষণা করে চেংদুতে মার্কিন দূতাবাস দ্রুত বন্ধ করতে হবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, কূটনৈতিকভাবে সহায়ক হিউস্টনের কনস্যুলেট জোর করে বন্ধ করার প্রত্যাঘাতেই বেজিং মার্কিন কনস্যুলেট বন্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।এবার আরও একদাপ এগিয়ে চেংদুর দূতাবাসের মার্কিনী জাতীয় পতাকা নামিয়ে দিল বেজিং।

উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই হিউস্টনে চিনা দূতাবাস বন্ধ করেছে আমেরিকা। এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার সময় মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও চিনের সমালোচনা করে দাবি করেন, গুপ্তচরবৃত্তির কেন্দ্র ছিল হিউস্টনের চিনা দূতাবাসটি। পম্পেওর আগে ফ্লোরিডার রিপাবলিকান সেনেটর মার্কো রুবিও ওই চিনা দূতাবাসকে ‘কমিউনিস্ট পার্টির বিশাল চরবৃত্তির নেটওয়ার্কের মূল ঘাঁটি’ বলে কটাক্ষ করেছেন। তাঁর দাবি ছিল, হিউস্টনের চিনা কনসুলেট কূটনীতির জায়গা নয়, কমিউনিস্ট পার্টির বিশাল চরবৃত্তির নেটওয়ার্কের কেন্দ্র, ওরা আমেরিকায় কলকাঠি নাড়ে, প্রভাব খাটায়।

আর‍ও পড়ুন: ইয়েমেনের কোটি কোটি ব্যারেল তেল লুট করেছে সৌদি আরব: তেলমন্ত্রী

ট্যুইট করে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র হুয়া চুনইং জানান, মার্কিন দূতাবাসকে আগে থেকেই অবগত করেছে বেজিং, যাতে তাঁরা সবরকম নিয়ম মেনে চেংদুর দূতাবাস বন্ধ করে দেয়। এর আগে, ট্রাম্প জানান, চিনের অসত্যবাদিতার জন্য বিশ্ব ফল ভুগছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা যাচ্ছেন। কোটি কোটি মানুষ আক্রান্ত। এই পথ বেছে নিয়ে সঠিক কাজ করেনি চিন। এজন্য চিনের সামনে যে ভবিষ্যত পড়ে রয়েছে, তা সুখকর হবে না। করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের গবেষণা তথ্য চুরির অভিযোগ এনেছে ওয়াশিংটন। শুধু অভিযোগই নয়, আমেরিকার জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট দুই চিনা নাগরিকের বিরুদ্ধে করোনা গবেষণা, বিশ্বব্যাপী কয়েক হাজার মানুষকে হ্যাকিংয়ের অভিযোগ এনেছে।

Related Articles

Back to top button
Close