fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ধেঁয়ে আসছে আম্ফান, সর্তক করল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন

মিলন পণ্ডা, (পূর্ব মেদিনীপুর): সমুদ্রের বুকে ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে ধেঁয়ে আসছে আম্ফান নামক ঘূর্ণিঝড়।করোনা ভাইরাস পূর্ব মেদিনীপুর রেড জোন হিসাবে চিহ্নিত করেছে। ওই ঘূর্ণিঝড়-এর জেরে পূর্ব মেদিনীপুরে উপকূল এলাকায় গুলিতে বিশেষ সর্তকতা জারি করা হয়েছে। এই মুহূর্তে দিঘা থেকে প্রায় ১২৫০ কিমি দূরে অবস্থান করছে আম্ফান নামক ঝড়টি। শনিবার রাত থেকেই ময়দানে নেমে পড়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন।

 

 

রাত থেকে উপকুলবর্তী এলাকায় মাইকিং শুরু করে দিয়েছে। রবিবার সকাল থেকে উপকুল এলাকায় শঙ্করপুর, মান্দারমনি,তাজপুর, দিঘা, জুনপুট ও তালসারি সহ একাধিক এলাকায় প্রশাষন পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে।এদিন বিকালের সৈকত নগরী দিঘার এসে হাজির বিপর্যয় মোকাবিলার দল। লক ডাউনের কারণে এই মূহূর্তে দিঘা, শঙ্করপুর, ও মান্দারমনি পর্যটকহীন। তাই পর্যটক নিয়ে কোনও চিন্তা না থাকলেও স্থানীয় বাসিন্দাদের সুরক্ষিত রাখতে একাধিক স্কুল বিল্ডিং প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

 

 

কাঁথির মহকুমা শাসক শুভময় ভট্টাচার্য্য বলেন, আগাম সর্তকতা হিসেবে উপকূল এলাকায় থাকা স্থানীয় মানুষজন ও মৎস্যজীবীদের আইলাসেন্টারগুলিতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া করা শুরু হয়েছে।

 

 

সহ মৎস্য অধিকর্তা (মেরিন )সুরজিৎ বার্গ নলেন সকল মৎস্যজীবীদের সতর্ক করা হয়েছে। পাশাপাশি মৎস্যজীবীদের সংগঠনগুলিকে সর্তক করা হয়েছে। পুলিশের উদ্যোগে মাইকিং করে এলাকার বাসিন্দা ও মৎস্যজীবীদের আসন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পর্কের দফায়-দফায় সতর্ক করা হচ্ছে।

 

 

পূর্ব মেদিনীপুর মৎস্যজীবী ফোরামের সভাপতি দেবাশীষ শ্যামল বলেন আগামী ১৪ জুন পর্যন্ত গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া মৎস্যজীবিদের বন্ধ আছে।তাই সমুদ্রে বড় ট্রলার নেই। মাঝেমধ্যেই ছোট নৌকা করে ও জাল ফেলে দুই একজন মৎস্যজীবী মাছ ধরতে যাচ্ছেন। তাদেরকেও মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

পূর্ব মেদিনীপুরে জেলা শাসক পার্থ ঘোষ বলেন এনিয়ে একটি প্রস্তুতি বেঠক করা হয়েছে। চাষীরা যাতে ধান মাঠ থেকে তুলে নেয় সেজন্য কৃষি দপ্তর থেকে প্রচার চালানো হচ্ছে। ঝড় মোকাবিলা করতে প্রশাসনিক ভাবে সব রকমের ব্যাবস্থা করা হয়েছে। উপকুলবর্তী এলাকায়গুলিতে মাইকিং করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত গত বছর নভেম্বর মাসে বুলবুল ঝড়ের দাপট ভুলতে পারেনি জেলাবাসী। এই ঝড়ের ফলের একাধিক মাটির বাড়ি ভেঙে পড়েছিল। জেলার একজনের মৃত্যুর পর্ষন্ত হয়েছিল। জেলাজুড়ে প্রচুর পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।

Related Articles

Back to top button
Close