fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আমফান পরবর্তী কলকাতার চিত্র দেখে ফিরহাদ হাকিমকে কটাক্ষ শোভনের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘রোগি ভেন্টিলেশনে যাওয়ার পর শুরু হয়েছে চিকিৎসা।’ নাম না করে এভাবেই পুরো প্রশাসকদের হাকিমকে খোঁচা দিলেন পুরসভার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। শনিবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি আমফান পরবর্তী কলকাতা পুরসভার কাজকে এভাবেই কটাক্ষ করলেন। আমফানের তান্ডবলীলায় রাস্তাজুড়ে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পড়ে আছে সে গাছ। আর তার জন্য নাকাল শহরবাসী। কোথাও বা বিদ্যুৎ ও পানীয় জল নেই। আবার কোথাও গাছের বড় গুড়ি দিয়ে আটকে আছে যান চলাচলের রাস্তা।

তিনি বলেন, ‘কোথাও কোনও পরিকল্পনা ছিল না পুরসভার। সম্পূর্ণ দূরদর্শিতার অভাবে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। আগে থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে কলকাতা শহরের হাল এমনটা হত না।’

খোলামেলা শোভন এদিন অনেক কথাই বলে গেলেন। গাছ কাটার বিষয়ে তিনি বলেন,’ পুরসভার তরফে রাস্তা থেকে গাছ সরানোর বিষয়ে ভুল তথ্য দেওয়া হচ্ছে। একটা গাছ সরাতে তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগে না। এর জন্য চাই প্ল্যানিং। একটা গাছকে কাটার দিয়ে কেটে গুড়িগুলোকে ছোট ছোট করে কেটে ফেললে। কাটারি দিয়ে ও কেটে ফেলা যায়। কিন্তু প্রাথমিকভাবে রাস্তাকে পরিষ্কার করতে হবে তবেই যানচলাচল করতে পারবে। সিএসসির কাজ করতেও সুবিধা হবে। আর তাই পরিকল্পনা নেই বলেই সাধারণ মানুষকে নাজেহাল হতে হচ্ছে।’

প্রাক্তন মেয়র শোভন আরও বলেন, ‘গত দুমাস ধরে কলকাতা জুড়ে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি চলছে না নিয়ে তারমধ্যে গোদের ওপর বিষফোঁড়া। এটা পরিষ্কার রাস্তাঘাটে লোকজনও তেমন ছিল না যে কাজ করতে অসুবিধা হবে। কোথাও না কোথাও পুরসভার কাজে ফাঁক থেকে গিয়েছে। গঙ্গার লকেট খুলে দিলেই সমস্ত পাম্পিং স্টেশন চালু রাখলে এত জল জমতে পারত না। পুরসভা হয়তো আমফানের গুরুত্ব বুঝতে পারেনি সঠিকভাবে। আমফান আসার আগে সমস্ত সরকারি দপ্তর গুলোকে আবহাওয়া অফিস সাত থেকে আট দিন আগে থেকে সতর্ক করেছে। তা সত্ত্বেও সচেতন হয়নি পুরসভা। আমার জীবনের ৩৫ বছরের পুরসভাকে মেলাতে পারছি না।

Related Articles

Back to top button
Close