fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আমফানে নন্দীগ্রামের প্রাচীন গৌবরময় স্কুলের ক্ষতি ৩০ লাখ, ঘুরে দাঁড়াতে হাত পেতে ভিক্ষে চাইছেন প্রধান শিক্ষক

রাজকুমার আচার্য, নন্দীগ্রাম: নন্দীগ্রাম বিধানসভা এলাকার মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন, বড় এবং গৌরবময় বিদ্যালয় আশদতলা বিনোদ বিদ্যাপীঠ। একশত আট বছরের এই বিদ্যালয়ে শেষ তিরিশ বছরে পরিকাঠামোর ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। সাজানো গোছানো বিদ্যালয়টি আমফান ঝড় তচনচ করে দিয়েছে। ক্ষতির পরিমান আনুমানিক তিরিশ লাখ টাকা। স্কুলকে ঘুরে দাঁড় করাতে প্রাক্তণ ছাত্রছাত্রীদের কাছে ভিক্ষে চাইছেন প্রধান শিক্ষক।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনন্দময় দে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ হিসাবে এলাকায় পরিচিত। তাঁর আমলেই বিদ্যালয়ের প্রভূত উন্নতি ঘটেছে। ২০০৯ সালে এই বিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যের মধ্যে সপ্তম স্থান অধিকার করেছিল এই বিদ্যালয়ের ছাত্র সুদীপ জানা। দেশ বিদেশে অসংখ্য ছাত্রছাত্রী সুপ্রতিষ্ঠিত। প্রধান শিক্ষক রবিবার বলেন তিনি দেশ বিদেশে ছড়িয়ে থাকা ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে ফেসবুকে বিদ্যালয়ের ধ্বংসপ্রাপ্ত অংশের ছবি দিয়ে একটি পোস্ট করেছেন। সেই পোস্ট তিনি হাত পেতে ভিক্ষে চেয়ে স্কুলকে ঘুরে দাঁড় করানোর জন্য আবেদন জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: বাংলায় আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের আমেরিকা থেকে সাহায্য বঙ্গ তনয়ার 

তিনি তাঁর পোস্টে লিখেছেন, “প্রিয় ছাত্র ছাত্রীরা, এই বিশ্বব্যাপী করোনা অতিমারীর সময়,দেশে বিদেশে যে যেখানে কর্মরত থাকোনা কেন সকলে সুস্হ থাকো, ভালো থাকো। কিন্তু তোমাদের প্রিয় স্কুল আজ ভালো নেই।’উম-পুনের’তান্ডবলীলা তাকে মৃতপ্রায় করে দিয়েছে। নতুন তৈরি অডিটোরিয়াম সহ স্কুলের তিনতলার সম্পূর্ণ টিনের শেড, জল ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, সোলার মডিউল, সীমানা পাঁচিল ,দরজা-জানালা, শতাধিক গাছ সব তছনছ। আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৫থেকে৩০লক্ষ টাকা।সরকারি সাহায্য আসবে কিনা, কত আসবে, কবে আসবে জানিনা। এই দুর্দিনে আমাদের একমাত্র ভরসা তোমরাই। গত তিরিশ বছরে তিল তিল করে যা গড়ে তুলেছিলাম, আমার রিটায়ারমেন্টের (৩০/০৯/২১) ঠিক এক বছর আগে সব ধুলিস্যাৎ।তোমরা যদি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দাও তবেই তোমাদের প্রিয় স্কুল আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। আমি তোমাদের কাছে হাত পেতে ভিক্ষা চাইছি।”

Related Articles

Back to top button
Close