fbpx
কলকাতাহেডলাইন

আমফানের ‘দুর্নীতি’, এবার মুখ্যমন্ত্রীর নজরে প্রশাসনিক আধিকারিকরা

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: আমফানের ত্রাণে দুর্নীতিতে বারবার নাম জড়িয়েছে শাসকদলের নেতা-কর্মীদের। সেইসঙ্গে প্রশাসনিক আধিকারিকদের দিকেও আঙুল উঠেছে। এবার মুখ্যমন্ত্রীর কোপে বিডিও-এসডিও। আমফান ত্রাণ নিয়ে, জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের কাজে বেজায় ক্ষুব্ধ মমতা। এবার নিজে করবেন তাঁদের কাজের মূল্যায়ন। আমফান ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলির, বিভিন্ন জায়গা থেকে ত্রাণ বিলি নিয়ে দুর্নীতির পাহাড় জমেছে নবান্নে। আমফানের ত্রাণ বিলি নিয়ে; রীতিমতো ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই এবার নিজে জেলা প্রশাসনের সবস্তরের কর্তা; অর্থাত্‍ বিডিও, এসডিও ও এডিএম-দের কাজের বার্ষিক মূল্যায়ন করবেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। নবান্ন সূত্রে খবর; কয়েকটি জেলার এসডিও, বিডিও ও এডিএম-দের কাজে অত্যন্ত বিরক্ত মুখ্যমন্ত্রী।

জানা গিয়েছে, বিডিও, এসডিও ও এডিএমদের প্রতিদিনের কাজের খতিয়ান আসবে নবান্নে। সেগুলি দেখবেন মুখ্যমন্ত্রী। তাতে কোনও গড়মিল থাকলেই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই পদক্ষেপে খুশি সাধারণ মানুষ। কারণ, বিরোধীদের মতোই দুর্নীতির পিছনে প্রশাসনিক আধিকারিকদের যোগ করেছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

প্রসঙ্গত, আমফানের ত্রাণ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। কোথাও ক্ষতিগ্রস্তরা প্রাপ্যের তুলনায় কম ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। কোথাও আবার তাঁদের প্রাপ্তির ভাঁড়ার শূন্য। সেই কারণেই দ্বিতীয় দফায় ক্ষতিপূরণের আবেদনের সুযোগ দিয়েছল রাজ্য সরকার। ৬ ও ৭ আগস্ট স্থানীয় SDO বা BDO অফিসে আবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য হয়েছিল। আর এই দু’‌দিনেই পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, কলকাতা ও দুই ২৪ পরগনা-এই ছয় জেলা মিলিয়ে ৫ লক্ষ ৬০ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। জানানো হয়েছে, তালিকার আপাদমস্তক খতিয়ে দেখে তবেই তা ১৪ আগস্ট জেলাশাসকের দপ্তর, বিডিও এবং পুর অফিসে প্রকাশ করা হবে। ঝাড়াই বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা ১৯ আগস্ট ‘এগিয়ে বাংলা’ ওয়েবসাইটেও দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: আদালতের অবমাননা করেছেন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ, সাজা ঘোষণা ২০ আগস্ট: সুপ্রিম কোর্ট

আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলিতে ত্রাণ বিলির সময় বারবার দুর্নীতির অভিযোগ এসেছে। বেশ কিছু বিডিও, এসডিও-র বিরুদ্ধে; দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে। তৃণমূল নেতারা নিজেদের আত্মীয়দের ক্ষতিপূরণ পাইয়ে দিচ্ছেন সেই অভিযোগও ওঠে। কাঠগড়ায় তোলা হয় পঞ্চায়েতকেও। তাই এবার গোটা বিষয়টি নিজে মূল্যায়ন করবেন মমতা। তবে, তৃণমূল নেতাদের দুর্নীতির জন্য প্রশাসনের আধিকারিকদের দায়ি করায় মুখ্যমন্ত্রীকে একহাত নিয়েছেন বিরোধী দলের নেতারা।

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close