fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

‘এবার শেষ হাসি হাসব আমরাই, ২০০ আসনে জিতে হাসব আমরাই’,বার্তা শাহের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  একুশের বিধানসভা ভোটের আগে বঙ্গে গেরুয়া শিবিরের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার দিনভর বাঁকুড়ায় রাঢ়বঙ্গের জেলাগুলির সঙ্গে সাংগঠনিক বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন। মাঝে আদিবাসী পরিবারের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সেরে জনসংযোগ করেছেন। তারপর রাতে চলে এসেছেন কলকাতায়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা কার্যত বিজেপির সর্বেসর্বা অমিত শাহ বললেন, এবার শেষ হাসি হাসব আমরাই। ‘২০০ আসনে জিতে হাসব আমরাই’, বাংলায় এসে বার্তা অমিত শাহের।

বাংলা সফরে এসে ফের তোষণের রাজনীতির প্রসঙ্গ তুললেন অমিত শাহ। বাংলার ঐতিহ্য হারিয়ে গিয়েছে। বাংলাকে সেই হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য পুনরায় উদ্ধার করতে হবে। ভারতের জাতীয় বৌদ্ধিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরার কাজে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে এই তোষণের রাজনীতি। শুক্রবার এই ভাষাতেই ঘুরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সংখ্যালঘু রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে আনলেন অমিত শাহ।

আজ সল্টলেকের ইজেডসিসি-তে (EZCC) কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়ার কার্যকর্তাদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানেই ঘণ্টা দেড়েকের সাংগঠনিক বৈঠকে একুশের প্রচারের মূল মন্ত্র বেঁধে দিলেন তিনি। বললেন, এবারের ভোটে যাতে রিগিং না হয়, তা দেখার দায়িত্ব তাঁর। কার্যকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ”পাঁচ মাস পরিশ্রম করো, পঞ্চাশ বছর রাজত্ব করবে।”তৃণমূলের ব্যর্থতা নিয়ে প্রচারের চেয়ে বেশি করে সামনে আনতে হবে মোদিসরকারের সাফল্য। শক্তিশালী করতে হবে প্রতিটি বুথ। মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী নিয়ে ভাবার প্রয়োজন নেই, নিজেদের কাজ ঠিকমতো করতে হবে।

রাজ্যে বুথস্তরের পরিস্থিতি দেখে অমিত শাহর কড়া নির্দেশ, বুথ শক্তিশালী করতে হবে। প্রতিটি বুথে ৪০ জনের কমিটি করতে হবে। তাঁর কথায়, ”বুথ শক্তিশালী না হলে ক্ষমতায় চলে এলেও ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে না।” এরপরই তিনি বলেন, ”মুখ্যমন্ত্রীর মুখ নিয়ে আপনাদের ভাবতে হবে না। নিজেদের কাজ করে যান।” তাঁর এহেন বার্তা থেকেই স্পষ্ট, এ রাজ্যের ক্ষমতা দখল করতে গেলে আসলে নিজেদের সংগঠনকেই আগে শক্তিশালী করার দিকে জোর দিলেন মোদির ‘ভোট ম্যানেজার’। কারণ, বিধানসভা ভোটে তৃণমূল স্তরের ভোটারই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা তিনি বেশ ভালই বোঝেন।

Related Articles

Back to top button
Close