fbpx
কলকাতাহেডলাইন

রাজ্যে প্রথম ভার্চুয়াল জনসভায় অমিত শাহ

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দ্বিতীয় মোদি সরকারের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। রাজ্য বিজেপি পাঁচটি জোনে পাঁচটি ভার্চুয়াল জনসভা করবে। প্রথম ভার্চুয়াল জনসভায় ভাষণ দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। সোমবার বিজেপি রাজ্য দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে এ কথা জানান বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
তিনি বলেন, ‘ মোদি সরকারের দ্বিতীয় ইনিংসের সূচনা হয়েছে গত ৩০ তারিখ। গত একবছর এবং তার আগের পাঁচ বছরের মোদি সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণকর কর্মসূচি আমরা মানুষের কাছে তুলে ধরবো। সমাজকে শক্তিশালী করতে, দেশের স্বার্থে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে, অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার স্বার্থে মোদিজির কাজের প্রচার করবো। যে ‘আত্মনির্ভর ভারতের ভাক মোদিজি দিয়েছেন তাও মানুষের কাছে তুলে ধরবো। তবে সবই হবে সামাজিক মাধ্যমকে ব্যবহার করে। আমাদের ৫ টি সাংগঠনিক জোনের ৫ টি ভার্চুয়াল জনসভা আয়োজিত হবে। প্রথম ভার্চুয়াল জনসভাটি হবে আগামী ৮ জুন সকাল ১১ টায়। বক্তা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। আমাদের দলের ১০০০ কর্মকর্তা ওই সভায় যোগ দেবেন। তাঁরা প্রশ্নও করতে পারবেন।’

এদিন তিনি বলেন, ‘করোনা এবং আমফানের জোড়া ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে বিজেপি দাঁড়াবে।আমরা এটাকে একটা ইভেন্ট হিসাবে নিচ্ছি। বাংলায় নবনির্মাণের স্বার্থে আর্ত মানুষের জন্য আমরা ২৫ টি বিধানসভাকেন্দ্রে কমিউনিটি কিচেন তৈরি করেছি। এছাড়াও ব্লকস্তরে প্রত্যেক পার্টি অফিসে আমরা রিলিফ অফিস খুলেছি। সেখানে আমরা চিকিৎসা ও খাবারের প্যাকেট বিতরণের ব্যবস্থা করেছি।’

আরও পড়ুন: আনলক পর্বের মাঝেই প্রকাশিত হতে চলেছে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল

এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় তৃণমূল সরকারের আমলে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘ এই যে এতো বাড়ি ভেঙেছে, এতো কাঁচা বাড়ি এলো কোথা থেকে? প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা তার আগে ইন্দিরা আবাস যোজনায় ৮০ লক্ষ বাড়ি তৈরির টাকা, তার তালিকা এসেছে। সেই টাকা, তালিকা গেল কোথায়, অনেক কাঁচা বাড়ির বাসিন্দা টাকা পাননি। তৃণমূল সরকারের পঞ্চায়েত স্তরে আবাস যোজনায় ব্যাপক দুর্নীতির হচ্ছে। আমরা তাই ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির তালিকা তৈরি করছি। এই তালিকা আমরা সরকারকে দেব।’

তিনি আরও বলেন, ‘ শুনছি মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, দুর্গত মানুষকে ত্রাণ দিতে গেলে স্থানীয় প্রশাসন, পঞ্চায়েতের কাছে অনুমতি নিতে হবে। এটা ঠিক নয়, অমানবিক হবে।আমি অনুরোধ করছি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, রাজনৈতিক দলকে যেন ত্রাণের কাজ করতে দেওয়া হয়। কারণ ত্রাণ নিয়ে তৃণমূলের নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে ত্রাণ পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ।’

Related Articles

Back to top button
Close