fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

গোটা দেশ কারাগারে পরিণত হয়েছিল, গান্ধী পরিবারের ক্ষমতার লোভেই দেশে জরুরি অবস্থাঃ শাহ

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্কঃ আজ থেকে ঠিক ৪৫ বছর আজকের দিনেই গোটাদেশজুড়ে জারি হয়েছিল জরুরি অবস্থা। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর এক সিদ্ধান্তে রাতারাতি বদলে গিয়েছিল বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের ছবি। আর তার জন্য কংগ্রেস তথা গান্ধী পরিবারকে ফের একহাত নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। টুইট করে এই জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের সম্মান জানান তিনি। সেইসঙ্গে আক্রমণ করেন গান্ধী পরিবারকে।

 

আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে পরিকাঠামো ক্ষেত্রে গতি আনতে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

 

উল্লেখ্য, ১৯৭৫-১৯৭৭ সালের মার্চ মাস অবধি জারি ছিল এই জরুরি অবস্থা। সেইসময় জনজীবন যে কীভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল সেটা হয়ত কল্পনাও করা যায় না। আর সেই সময় মানুষের স্বাধীনতার দাবিতে যাঁরা সোচ্চার হয়েছিলেন তাঁদের এদিন সম্মান জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেইসঙ্গে রাতারাতি একটা পরিবারের লোভে গোটা দেশ কারাগারে পরিণত হয়েছিল বলেও আক্রমণ করেন শাহ। তিনি বলেন, “৪৫ বছর আগে আজকের দিনে একটা পরিবারের ক্ষমতার লোভ দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা এনেছিল। রাতারাতি গোটা দেশ কারাগারে পরিণত হয়েছিল। মানুষের বাক স্বাধীনতা, সংবাদমাধ্যম, আদালত….সবার স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। গরিব ও পিছিয়ে পড়া মানুষদের উপর যথেচ্ছ অত্যাচার হয়েছিল।”শুধু এখানেই থেমে থাকেননি শাহ। টুইটে তিনি আরও লেখেন, “লক্ষ লক্ষ মানুষের সংগ্রামের ফলে অবশেষে জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়া হয়। দেশে ফের গণতন্ত্র আসে। কিন্তু কংগ্রেসে তা কোনও দিনই ছিল না। দল ও দেশের থেকে একটা পরিবারের লাভ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এই অবস্থা এখনও কংগ্রেসের মধ্যে বিদ্যমান।”

 

আরও পড়ুনঃ নাগাল্যান্ডে মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত ১২ জন সেনা জওয়ান

 

অমিত শাহ-এর পাশাপাশি এদিন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও টুইট করেন। তিনি লেখেন, “জরুরি অবস্থার সময় সব অত্যাচার ও বিরোধিতা সহ্য করে যাঁরা এই অন্যায় নিয়মের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন সেইসব নেতাদের ভারত স্যালুট জানায়। এটা আমাদের সত্যাগ্রহীদের জেদ, সাহস ও বীরত্বের জয়, যে একটা একনায়ক মানসিকতার বিরুদ্ধে দেশের গণতন্ত্রের জয় তাঁরা ছিনিয়ে আনতে পেরেছিলেন।” একটা ছবিও টুইট করেন নাড্ডা। তার ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘জরুরি অবস্থার কালো অধ্যায়।’ প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা কার্যকর করা হয়। তার আগেই এলাহাবাদ হাইকোর্টের তরফে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে দোষী প্রমাণিত করা হয় ও ছ’বছরের জন্য তাঁর সাংসদ পদ কেড়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই জরুরি অবস্থার সময় বিরোধী দলের বেশিরভাগ নেতাকেই জেলবন্দি করা হয়। সংবাদমাধ্যমের অধিকার খর্ব করা হয়। এছাড়া আরও অনেক মৌলিক অধিকারের উপর শাসকের আঘাত নেমে আসে।

Related Articles

Back to top button
Close