fbpx
আন্তর্জাতিককলকাতাগুরুত্বপূর্ণদেশপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ধ্বংসাত্মক রূপ নিতে চলেছে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান, সুনামির সতর্কতা জারি

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার দাপটের মধ্যেই আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। আবহবিদদের ধারণাকে ছাপিয়ে গিয়ে আরও শক্তি বাড়িয়ে ধ্বংসাত্মক রূপ নিতে চলেছে সামুদ্রিক ঝড় আম্ফান। সুনামির সতর্কতা জারি করা হল জাপানে।

অন্যদিকে ভারতে আগামী ১২ ঘন্টার মধ্যে জোর শক্তি বাড়িয়ে আছড়ে পড়তে চলেছে আম্ফান।সোমবার সকালের মধ্যে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর সুত্রে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে এগোবে ১৭ মে পর্যন্ত। তারপর অভিমুখ বদলে পশ্চিমবঙ্গের দিকে ছুটে আসবে।

আগামী ১৮ থেকে ২০ মে-র মধ্যে তা উত্তর ওড়িশা উপকূলের উপর দিয়েও প্রবাহিত হবে। ঝোড়ো হাওয়া গতিবেগ থাকবে ৬৫ থেকে ৭৫ কিমি প্রতি ঘণ্টায়।  পরে তা বেড়ে ৮৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা হবে। তারপর দক্ষিণপূর্ব দিকে সরে গিয়ে বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ পশ্চিমে আসবে। তখন তার গতি বেড়ে হবে ৯০-১০০ কিমি প্রতি ঘন্টায়।

ক্রমে তা বেড়ে ১১০ কিমি প্রতি ঘণ্টা হবে। ১৮ মে সকালে বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ অঞ্চলে ঝড়ের গতি বেড়ে ১২৫-১৩৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা হবে। যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা। বঙ্গোপসাগরের উত্তরে তার গতি বেড়ে ১৬০-১৭০ কিমি প্রতি ঘণ্টা থেকে ১৯০ কিমি প্রতি ঘণ্টায় হবে ১৯ মে। ২০ মে সকালে আম্ফানের গতি ১৫৫-১৬৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা থেকে ১৮০ কিমি প্রতি ঘণ্টার মধ্যে থাকবে।

মৎস্যজীবীদের মাছ ধরতে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ১৭-২০ মে পর্যন্ত এই নির্দেশিকা জারি থাকবে।

ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় ওড়িশার বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ২০টি দল, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১৭টি দল এবং রাজ্যের অগ্নি ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের ৩৩৫ ইউনিটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গে মোট ১৭টি বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর টিমকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের দুই পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি জেলায় ৭টি টিম থাকছে, পাশাপাশি ওড়িশায় পুরী, জগৎসিংহপুর, কেন্দ্রাপাড়া, জয়পুর, ভদ্রক, বালোসোর ও ময়ূরভঞ্জ –এ ১০টি টিম থাকছে।

 

Related Articles

Back to top button
Close