fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

ইরানে হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধ বেঁধে যাবে: দেহকান

তেহেরান: ‘আমরা যুদ্ধ করতে চাই না। আর নিছক গালগল্প করার জন্যও আলোচনায় বসতে আগ্রহী নই। তবে, ইরানে সীমিত আকারের ট্যাকটিক্যাল যে কোনো হামলা মধ্যপ্রাচ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। সে যুদ্ধের ধকল আমেরিকার বা মধ্যপ্রাচ্যের পক্ষে সামলানো সম্ভব হবে না। শুক্রবার, সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এভাবেই আমেরিকার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সামরিক উপদেষ্টা ও প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হোসেইন দেহকান। কেননা, গত সপ্তাহে ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালাতে চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, এক মার্কিন দৈনিকে এই খবর প্রকাশের পরেই এমনই প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন দেহকান।

তাছাড়া, মার্কিন বিদেশ নীতিতে বাইডেনের পূর্বতন সকল প্রেসিডেন্ট ইরানের বিরুদ্ধে কঠোরতা দেখিয়েছে, সেক্ষেত্রে বাইডেন ব্যতিক্রম হবেন কিনা তাও এখন আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। তবে, মার্কিন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ- ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি নিয়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারেন জো বাইডেন। সেক্ষেত্রে তেহেরান কতটা এগিয়ে আসবে, সেই প্রশ্নে ইরানের প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হোসেইন দেহকান জানান, ‘ইরান নিজেদের সামরিক শক্তি নিয়ে কারো সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় বসবে না।’

তবে, সামরিক শক্তি নিয়ে ইরান আলোচনায় বসতে না চাইলেও, আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মাধ্যমে ২০১৫ সালে পারমাণবিক চুক্তি পূর্ণ বাস্তবায়নের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে তেহেরান। সেক্ষত্রে তেহেরান আলোচনায় বসতে রাজি আছে। এপ্রসঙ্গে গত বুধবার ইরানের বিদেশ মন্ত্রী জাভেদ জারিফ জানান, ‘বাইডেন যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি পূরণে ইচ্ছুক হন তাহলে আমরাও অবিলম্বে চুক্তির প্রতিশ্রুতিতে ফিরে যাবো… আর চুক্তির কাঠামোর মধ্য দিয়ে আলোচনা শুরু করাও সম্ভব হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে চুক্তিতে ফিরতে পারে তা নিয়ে আলোচনার জন্য আমরা প্রস্তুত। পরবর্তী কয়েক মাসে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। তিনটি নির্বাহী আদেশ দিয়ে বাইডেন সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিতে পারেন।’

Related Articles

Back to top button
Close