fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

আস্ত একটি মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল পাকিস্তানে, নিরাপত্তাহীনতায় পাক সংখ্যালঘুরা

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ফের সংখ্যালঘু অত্যাচারের কথা উঠে এল পাকিস্তানে। সেই দেশের সিন্ধু প্রদেশের একটি শ্রীরাম মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল। ১০ই অক্টোবরের এই ঘটনার পর এক যুবক কজন ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন যে, পাকিস্তানে ৪২৮টি মন্দিরের মধ্যে মাত্র ২০টি মন্দির রয়েছে। বাকি সব মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে পাক সরকার। এর তীব্র নিন্দা করেছে লন্ডনে উপস্থিত পাকিস্তানি মানবাধিকার কর্মীরা।

সিন্ধু প্রদেশের কারিয়ো ঘানোয়ার এলাকার ওই হিন্দু মন্দিরে হামলা চালানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানে হিন্দুদের প্রতি অত্যাচারের কথা প্রকাশ্যে এসেছে। তাঁদের ধরমচারণা করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠে আসছে বারবার। এই নিয়ে হিন্দুরা একাধিনবার বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।  এমনকি পাকিস্তানে হিন্দু সংখ্যালঘু মহিলাদের ধর্ষণের মতন ঘটনাও সামনে এসেছে।

[আরও পড়ুন- দুটি বিমানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, মৃত্যু ৫ যাত্রীর]

এর আগেও পাকিস্তানে হিন্দু মন্দির তৈরি করতে বাধা দেওয়ার খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। পাকিস্তানে হিন্দু মন্দির প্রতিষ্ঠায় বাধা আসার জেরে ফতোয়া জারি করে ইসলামিক সংগঠন। শ্রীকৃষ্ণ মন্দির হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে। পাকিস্তানের ইসলামাবাদের এইচ-৯/২ সেক্টরে কৃষ্ণ মন্দির প্রতিষ্ঠার কাজও শুরু হয়েছিল। কিন্তু শুরুতেই তা বাধা পায়। বাধা দেয় ধর্মীয় সংগঠন জমিয়া আসরফিয়া। এই সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, মানুষের করের টাকা এভাবে নষ্ট করা যাবে না। এরপরে হিন্দু মন্দির ভেঙে ফেলার খবর প্রকাশ্যে আসে।

এর আগে একটি ভিডিও সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল হয়েছিল। যেখানে দেখা গিয়েছিল যে, পাকিস্তানের ভাওয়ালপুরে হিন্দু প্রভাবিত বস্তি এলাকায় আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের বাড়িঘর ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

 

Related Articles

Back to top button
Close