fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

হু’র সহকারী সংস্থার সিইও হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিল সোনি

জেনেভা: করোনা আবহে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু’র কার্যপদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে একাধিকবার। তাই সংস্থার স্বচ্ছতা ফেরানোর লক্ষ্যে গঠিত হয়েছে সহযোগী সংস্থা ‘হু ফাউন্ডেশন’। যার প্রথম সিইও হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিল সোনি। আগামী বছরের পয়লা জানুযারি দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন তিনি।

মূলত, আর্থিক অনুদানের ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে সাহায্য করার জন্য চলতি বছরে মে মাসে জেনেভাতে গঠিত হয় হু ফাউন্ডেশন। কিভাবে কাজ করবে এই সংস্থা? জানা যাচ্ছে, হু’র স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যপারে সাহায্য করতে পারে এমন  সংস্থা বা সংঠনকে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থেকে খুঁজে বের করবে হু ফাউন্ডেশন। তারপর, এই সংস্থার হাত ধরেই বিভিন্ন ছোট সংস্থার কাছে অনুদান পৌঁছে দেবে হু’। মহামারী করোনা মকাবিলা ছাড়াও এই সংস্থার আরও অনেক গুরুত্ব আছে। আর এ হেন সংস্থার প্রথম সিইও হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিল সোনি।

এদিন অনিল সোনি জানিয়েছেন, ‘করোনার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকমাসের লড়াইয়ের পর আশার আলো দেখা যাচ্ছে। তবে, এই ভ্যাকসিন তৈরিতে বাড়তি গুরুত্ব দিতে গিয়ে অন্য অনেক ক্ষেত্রে বিনিয়োগের পরিমাণ কমে গিয়েছে। বিশ্বব্যাপী টিকা সরবরাহ, এইচআইভি চিকিৎসা, ক্যানসার চিকিৎসা উপেক্ষিত থেকে গিয়েছে। তবে, পরিস্থিতি বদলের সময় এসেছে।’ তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘হু ফাউন্ডেশন এই সব ক্ষেত্রে নতুন গবেষণা, নতুন আবিষ্কারের দিগন্ত খুলে দেবে।’

একসময় গ্লোবাল ফান্ডের কর্মকর্তা ছিলেন সোনি। এইডসের মতো মারণ রোগের প্রতিষেধক নিয়ে গবেষণা ও রোগ সম্পর্কে সচেতন করতে প্রচার চালিয়েছিল এই সংস্থা। এইচআইভি, যক্ষ্মার মতো রোগ নিয়ে একাধিক ক্যাম্পেন করেছেন সোনি। ২০০২-২০০৪ সালে গ্লোবাল ফাউন্ডেশনের একজিকিউটিভ ডিরেক্টর হন সোনি। ম্যালেরিয়া রুখতে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিল এই সংস্থা। ২০০৪ সালের পরে ক্লিনিকাল হেলথ অ্যাকসেস ইনিশিয়েটিভের সিইও পদের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। দু’দশকেরও বেশি পাবলিক, প্রাইভেট ও নন-প্রফিট সেক্টরে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে তাঁর। বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের শীর্ষ পদে ছিলেন। সেখান থেকে হু-র ফাউন্ডেশনের শীর্ষ পদে বহাল হলেন সোনি।

Related Articles

Back to top button
Close