fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ডোমকলে জঙ্গি সন্দেহে ধৃত আল মামুন কামাল, বাড়ি থেকে মিলল মাদ্রাসার রসিদ

কৌশিক  অধিকারী, ডোমকল: মুর্শিদাবাদ জেলাতে মাদ্রাসা আড়ালে কি তাহলে কি জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির? ইতি মধ্যেই মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে তিনজন ও কেরালা থেকে ন’জন কে আল কায়দা জঙ্গি মডিউলের সঙ্গে যুক্ত থাকার সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতরা প্রত্যেকে মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দা। এবার মুর্শিদাবাদের ডোমকলে আল মামুন কামাল বাড়ি থেকে মিলল মাদ্রাসা রসিদ বই। যে রসিদ বই দিয়ে লক্ষাধিক টাকা তোলা হত ডোমকল জুড়ে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আল কায়দা জঙ্গি সন্দেহে ধৃত ডোমকলের নওদাপাড়ার বাসিন্দা আল মামুন কামালকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা এক মাদ্রাসার খোঁজ পেয়েছে। যে মাদ্রাসার রশিদ ঘিরে উঠে আসছে একাধিক প্রশ্ন। রশিদে লেখা শিশু শিক্ষা মাদ্রাসার নাম, যার সম্পাদক আল মামুন কামাল। তদন্ত যত এগোচ্ছে একের পর এক তথ্য সামনে আসায় বাড়ছে উদ্বেগ। উদ্বেগ বাড়ছে আল মামুন কামালের পরিবারেও। গ্রামের মধ্যে মাটির এক চিলতে ছোট্ট ঘরেই গত এক বছর ধরে আরবি শেখানো হতো। একই সঙ্গে নামাজ পাঠের শিক্ষাদানও হতো বলে জানা যায়। তবে এটা সেভাবে কোন মাদ্রাসা বলে চিহ্নিত ছিল না। তাহলে কি ভাবে ছাপানো হল এই রশিদ? গ্রামের কেউ কেউ বলছেন এই রশিদ কেরলে পাঠানো হতো অর্থ সংগ্রহের জন্য।
সুদূর কেরলে যারা কাজ করতে গিয়েছেন সেখানে তারা এই রশিদ দেখেছেন। কিন্তু অর্থ সংগ্রহের পর কি হতো- তার স্পষ্ট ধারনা নেই কারও কাছেই।

পুরো বিষয়টি নিয়েই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। একদিকে পরিবার চাইছে ঘরের ছেলে ঘরে ফিরুক। দিন মজুর পরিবারের ছেলে কোনভাবেই এই কাজের সাথে যুক্ত হতে পারে না বলেই দাবি আত্মীয়দের। সব নিয়েই উৎকণ্ঠাও বাড়ছে পরিবারের। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদ জেলার লালগোলাতেও জঙ্গি যোগ আছে কিনা তাও ক্ষতিয়ে দেখছে এনআইএ প্রতিনিধিরা ।

Related Articles

Back to top button
Close