fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আসানসোলে আরও এক পুলিশ অফিসার ও স্বাস্থ্য কর্মী করোনা আক্রান্ত, জেলা হাসপাতালে মৃত ২ প্রৌঢ়া

শুভেন্দু বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল: আসানসোল জেলা হাসপাতালের আইসোলেশান ওয়ার্ড গত ২৪ ঘন্টায় দুই প্রৌঢ়ার মৃত্যু হয়। মৃত দুজনের বয়স আনুমানিক ৬০ ও ৬২ বছর। তারমধ্যে একজনের বাড়ি আসানসোলের রেলপার এলাকায়। অন্যজন জামুড়িয়ার বাসিন্দা বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর ও জেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দুজনেই লালারসের পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। জানা গেছে, আসানসোলের রেলপারের ঐ প্রৌঢ়া সোমবার সকালে জেলা হাসপাতালের আইসোলেশান ওয়ার্ডে ভর্তি হন। সেই সময় তার শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিলো। বেশকিছু উপসর্গ থাকায় প্রৌঢ়ার লালারসের নমুনা করোনা পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয়। ঘন্টা তিনেকের মধ্যে তার মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতাল কতৃপক্ষ জানতে পারে, প্রৌঢ়া করোনা আক্রান্ত।

অন্যদিকে, জামুড়িয়ার এক প্রৌঢ়া রবিবার আইসোলেশান ওয়ার্ডে ভর্তি হন৷ তারও লালারস পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছিলো। পরীক্ষার পরে জানা যায়, তিনিও করোনা আক্রান্ত। মঙ্গলবার সকালে তার আইসোলেশান ওয়ার্ডে মৃত্যু হয়। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে বলা হয়েছে, মৃত দুজনের পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়েছে। নির্দিষ্ট প্রটোকোল মেনে তাদের দেহ সৎকারের ব্যবস্থা করা হবে।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার আসানসোল দক্ষিণ থানার আরও এক পুলিশ অফিসার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন৷ এদিন তার লালারসের পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে আসানসোল জেলা হাসপাতালে। এদিকে, এদিন আসানসোল দক্ষিণ থানার অরুনাভ ভট্টাচার্য নামে এক অফিসার করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে কাজে যোগদান করেন৷ তাকে এদিন ফুল দিয়ে সম্মান জানানো হয়। এই অফিসার অবশ্য চিকিৎসার জন্য কোভিড ১৯ হাসপাতালে ভর্তি হননি। হোম কোয়ারান্টাইনে থেকে নিজেকে সুস্থ করে তুলেছেন।

আসানসোল দক্ষিণ থানায় মোট ৯ জন এখনো পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তারমধ্য দুজন সিভিক ভলেন্টিয়ারও আছেন। এদিন আসানসোল জেলা হাসপাতালে মোট ৭ জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। যারমধ্যে তিনজন আইসোলেশান ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন।

এছাড়াও, রুপনারায়নপুরে ১ জন ও জামুড়িয়ায় ৭ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে। জামুড়িয়ায় আক্রান্তদের মধ্যে একজন স্বাস্থ্য কর্মী আছেন। সোমবার রাতে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম বর্ধমান জেলায় এখনো পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১৭৩৯ জন৷ মারা গেছেন ১৪ জন। এখনো পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯৩৩ জন।

Related Articles

Back to top button
Close