fbpx
কলকাতাহেডলাইন

আদালতের নির্দেশ মেনে উচ্চ প্রাথমিকে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের ভাবনা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আদালতের নির্দেশ মেনে উচ্চ প্রাথমিকে দ্রুততার সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগের কাজ শুরু করতে চায় স্কুল শিক্ষা দফতর ও স্কুল সার্ভিস কমিশন এর কর্তাদের একাংশ। সূত্র মারফত এমনটাই জানা গিয়েছে। কারণ সরকারি কর্তাদের মতে, এপ্রিলে বিধানসভা ভোট হতে পারে। তাই মার্চে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা গেলে নির্বাচন কমিশনের বিধিতে তা আটকানোর কথা নয়। আদালতের অনুমোদন থাকলে নির্বাচনী বিধির কারণে নিয়োগ আটকানোর কথাও নয় বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত। তাই আদালত ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা বললেও কমিশন চাইছে, তার অনেক আগে নিয়োগ নিশ্চিত করতে। এতে ভোটের আগে সরকারের পক্ষেও পরিস্থিতি অনুকূল হবে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর আশঙ্কা, ‘সে ক্ষেত্রে আবার একদল আদালতে চলে যেতে পারে।’ কমিশন ও দফতরের কর্তাদের কেউ কেউ সেই নির্ঘণ্ট এগিয়ে আনার পক্ষপাতী বলে সূত্রের খবর। সে ক্ষেত্রে রায় প্রদানকারী সিঙ্গল বেঞ্চের কাছে উপযাচক হয়ে এ মাসেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর আর্জি জানানোর কথা ভাবা যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সোমবার ফোনে বলেন, ‘রায়ের কপি হাতে পেয়েছি। আলাপ-আলোচনা শুরু হয়েছে। যোগ্যতম ব্যক্তিরা দ্রুততার সঙ্গে চাকরি পান, এটাই সরকারের লক্ষ্য। লিগ্যাল সেলকে বলেছি, নিয়োগ প্রক্রিয়া যাতে শুরু করা যায়, তার জন্য কী কী পদক্ষেপ করা উচিত, তা জানাতে। এসএসসিকে বলেছি, আইনজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যবস্থা নিতে।’

ইতিমধ্যে আদালতের নির্দেশিকা হাতিয়ার করে চাকরিপ্রার্থীরা পথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বিরোধীরাও বিষয়টি নিয়ে এই মুহূর্তে সরকারের বিড়ম্বনা বাড়িয়ে তুলতে সক্রিয়। তাই সংঘাতে না গিয়ে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হলে, বিক্ষোভ প্রশমিত হবে এবং চাকরিপ্রার্থীদের দাবিও মেটানো যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ‘কৃষকদের ভুল পথে চালিত করছে বিরোধীরা’, গুজরাট থেকে সুর চড়ালেন মোদি

কমিশন ও শিক্ষা দফতরের একাংশ সেই ভাবনা থেকেই দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার অনুমতি পেতে আদালতে যাওয়ার কথা ভাবছে। কমিশনের কর্তাদের মতে, মামলা অনেকদিন ধরেই চলছিল। এক সিঙ্গল বেঞ্চ ভেরিফিকেশন নিয়ে অন্তর্বর্তী নির্দেশে বাদ যাওয়া কয়েক হাজার প্রার্থীকে ডাকার কথা বলেছিল এসএসসিকে। কিন্তু চূড়ান্ত রায়ে সব প্রক্রিয়া বাতিল হওয়ায় বিস্মিত ও বিব্রত তাঁরা। যে ভাবে স্কুলে স্কুলে শূন্যপদ বেড়েছে ও নিয়োগ না-হওয়া নিয়ে জনমনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, তাতে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে গেলে আরও সময় নষ্ট হওয়ায় ভোটের আগে ক্ষোভ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। সে জন্যই আদালতের গাইডলাইন মেনে দ্রুত সকলের ভেরিফিকেশন থেকে ধাপে ধাপে মার্চের মধ্যে নিয়োগ শুরু করা যেতে পারে।

 

Related Articles

Back to top button
Close