fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

নাগর্নো-কারাবাখ ছাড়ার সময় ক্ষোভে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিচ্ছে আর্মেনীয়রা

ইয়েরেভান : আজারবাইজান বিরোধপূর্ণ নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার আগেই নিজেদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে আর্মেনীয়রা। সূত্রের খবর, টানা ছয় সপ্তাহের যুদ্ধ শেষে বিতর্কিত নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলের দখল ফিরে পেয়েছে আজারবাইজান।

 

রাশিয়ার মধ্যস্থতায় হওয়া শান্তিচুক্তি অনুসারে কিছু এলাকা ছেড়ে দেওয়ার কথা আর্মেনীয়দের। সেই শর্ত মানতে শনিবারই অনেকেই নাগর্নো-কারাবাখ ছেড়ে আর্মেনিয়া চলে গেছেন। তবে যাওয়ার সময় দীর্ঘদিন বসবাস করা ঘরবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন তারা।

রবিবার নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলের কালবাজার শহর এবং এর আশপাশের এলাকা আজারি কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেয়ার কথা আর্মেনিয়ার। আর এটি হতে চলেছে, গত ৯ নভেম্বর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোশ পাশিনিয়ানের সই করা চুক্তি অনুযায়ী। তবে এই শান্তিচুক্তিকে মেনে নিতে পারেননি আর্মেনিয়ার জনগণের একাংশ।

 

গত সোমবারই তারা রাজধানী ইয়েরেভানের পথে বিক্ষোভ শুরু করেন। এমনকি এই বিক্ষোভকারীদের একাংশ নিরাপত্তার বেড়াজাল টপকে সরকারি ভবনে ঢুকে যান এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। যেখানে, আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী পাশিনিয়ান বলেছেন, আরও ভূমি হারানো ঠেকাতে রাশিয়ার মধ্যস্থতায় হওয়া শান্তিচুক্তিতে সই করা ছাড়া তার সামনে আর কোনও উপায় ছিল না।

উল্লেখ্য, গত ২৭ সেপ্টেম্বর হঠাৎই ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয় আর্মেনীয়-আজারি সেনাদের মধ্যে। একাধিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও মাসব্যাপী চলে এ লড়াই। অবশেষে রাশিয়ার মধ্যস্থতায় গত সপ্তাহে আর্মেনিয়া সরকার নাগোরনো-কারাবাখের দখল ছেড়ে দিতে রাজি হলে একপ্রকার বিজয় নিশ্চিত হয় আজারবাইজানের। তবে, দুই প্রতিবেশী দেশের সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ।

আর  ঘরছাড়া হয়েছেন ১০ হাজারেরও বেশি। এদিকে আর্মেনিয়া জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহের লড়াইয়ে তাদের ২ হাজার ৩১৭ জন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। তবে আজারবাইজানের পক্ষ থেকে হতাহতের কোনও তথ্য জানানো হয়নি।

Related Articles

Back to top button
Close