fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কৃষিক্ষেত্রে লকডাউন কিছুটা শিথিল হওয়ায় স্বস্তি চাষী মহলে

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস, রানাঘাট: অর্থকরী ফসল পাট উৎপাদনে শীর্ষে নদিয়া জেলা। এবছর ৮৫ হাজার হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। এই চারা ইতিমধ্যেই ৪–৫ ইঞ্চি বড় হওয়ায়, এখনই স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য জমি নিড়িয়ে দেওয়া জরুরি। এছাড়া আগাছা তুলে দেওয়ার পাশাপাশি ঘন চারাকে তুলে দিতে হবে এবং এই প্রক্রিয়া শুরু না হলে পাটের বৃদ্ধিসহ ফলনে ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দেবে। সরকারিভাবে কৃষি ক্ষেত্রে লকডাউনে কিছুটা শিথিলতা আনায় চাষীমহলে স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হলেও সমস্যা দেখা দিয়েছে অন্যত্র।

ক্ষেতমজুরদের উপস্থিতি অর্থাৎ জোগান নিয়ে। চাহিদা অনুযায়ী ক্ষেতমজুর সরবরাহে প্রতিবেশী জেলা মুর্শিদাবাদ প্রতিবার ই অগ্ৰনী ভূমিকা পালন করে থাকে।এবছর লকডাউনের ফলে ট্রেন বাস না চলায় যোগাযোগ ব্যবস্থা সব বন্ধ, ঘটনায় ঐ সমস্ত দিনমজুর,যাদের পোশাকি নাম দাওয়াল, তারা আসতে পারছে না, এমতাবস্থায় চাষিদের মাথায় হাত। স্থানীয় স্তরে যে সমস্ত ক্ষেতমজুর, দিনমজুর আছেন এরা অধিকাংশই লকডাউন বলবৎ হ ওয়ার পর কর্ম হীন হয়ে পড়লেও, চলতি মাসের ২০ তারিখের পর থেকে পঞ্চায়েত স্তরে ১০০ দিনের কাজ শুরু হ ওয়ায় এরা ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। যদিও জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে বারবার সতর্ক করা হয়েছে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যথাসম্ভব ছোট ছোট গ্ৰুপ করে কাজে নিয়োগ করা হবে। যদি সে রকম টি হয়, তাহলে হয়তো কিছু দিন মজুর, ক্ষেতমজুর কাজ হারা হয়ে পড়বে এবং তাদেরকেই এই জমি নিড়ানোর কাজে লাগানো সম্ভব হবে।

জেলা কৃষি আধিকারিক রঞ্জন রায় চৌধুরী এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, চাষের কাজে ক্ষেতমজুর পাওয়ার ক্ষেত্রে কোন সমস্যা হবেনা, উভয় ক্ষেত্রেই সামঞ্জস্য বজায় রেখে আমরা দিনমজুর, ক্ষেতমজুরদের নিয়োগের ব্যবস্থা করবো। ইতিমধ্যেই কালবৈশাখীর তাণ্ডব সহ গতকালের বৃষ্টিতে কিছুটা হলেও বিশেষ করে সবজি চাষীদের বেশ ক্ষতি হয়েছে। জেলায় এই মুহূর্তে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে সবজি চাষ আছে।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close