fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনার মধ্যেই ডেঙ্গুর প্রকোপের আশঙ্কা, মোকাবিলায় কোমর বাঁধছে আসানসোল পুরনিগম

শুভেন্দু বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল: করোনা সক্রমণের মধ্যেই ডেঙ্গুর প্রকোপের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে আসানসোল পুরনিগম এলাকা সহ পশ্চিম বর্ধমান জেলা জুড়ে। ইতিমধ্যেই জেলায় মোট ৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে বলে সোমবার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে। তবে এখনো পর্যন্ত আসানসোল পুরনিগম এলাকায় ডেঙ্গুর কোন খবর নেই৷ একইসঙ্গে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর ও পুরনিগম স্বাস্থ্য বিভাগের করোনার মতোই ডেঙ্গুকে মোকাবিলা করতে সবরকম প্রস্তুতি ও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা বলেন, করোনার জন্য স্বাস্থ্যকর্মী ও আধিকারিকরা অনেক ব্যস্ত। করোনার সচেতনতায় একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। তারমধ্যেই ডেঙ্গুর সময় চলে এসেছে। তাই ডেঙ্গু সচেতনতা কিছুটা হলেও আটকে গেছিলো। চিকিৎসরা বলেন, বর্ষা শুরু হয়ে গেছে। জেলা তথা শিল্পাঞ্চলে ডেঙ্গু ছড়ানোর মশার আঁতুড় ঘর হয়ে উঠতে পারে লক ডাউনের বন্ধ থাকা কল কারখানাগুলি। যেভাবে বৃষ্টি হচ্ছে তাতে বিভিন্ন জায়গায় বর্ষার জল জমবে। আর সেই জলে মশার জন্ম হবে।
জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বা সিএমওএইচ ডাঃ দেবাশিষ হালদার বলেন, চলতি মরসুমে জেলায় বেশ কয়েকজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।

আসানসোল পুরনিগম ও স্বাস্থ্য দপ্তর করোনার মধ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাস্তায় নামছে। ইতিমধ্যেই জেলাশাসক পূর্ণেন্দু কুমার মাজির উপস্থিতিতে গত সপ্তাহেই এই নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের একটি বৈঠকও হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জেলার আসানসোল ও দুর্গাপুর দুটি পুরনিগম ও ৮ টি ব্লক মিলিয়ে মোট ২০ লক্ষ গাপ্পি মাছ ছাড়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় স্প্রে করার কাজ শুরু হয়েছে৷ স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি যাওয়া কাজ শুরু করেছেন। ৬ জুলাই থেকে স্বাস্থ্য কর্মীরা এলাকায় এলাকায় গিয়ে ডেঙ্গু সচেতনতায় প্রচারের কাজ শুরু করেছেন। পুর এলাকায় মাসে ১০ দিন ও গ্রামীণ এলাকায় ২০ দিন এই প্রচারের কাজ চলবে।

এদিকে, সোমবার আসানসোল পুরনিগমের মিটিং হলে ডেঙ্গু মোকাবিলায় কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা নিয়ে আলোচনা করতে একটি বৈঠক করেন পুরকমিশনার খুরশিদ আলি কাদরি। ছিলেন পুরনিগমের স্বাস্থ্য বিভাগের মেয়র পারিষদ দিব্যেন্দু ভগৎ , স্বাস্থ্য আধিকারিক সহ অন্যান্যরা। বৈঠকের পরে মেয়র পারিষদ বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় কি কি করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এলাকায় এলাকায় সমীক্ষার কাজ করা হবে। তার জন্য টিম করা হবে। তারা এলাকায় এলাকায় গিয়ে সমীক্ষা করবে। তিনি আরো বলেন, এখনও পর্যন্ত আসানসোল পুরনিগম এলাকায় কেউ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়নি।

Related Articles

Back to top button
Close