fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আসানসোলের মানুষদের ঝাড়খণ্ডে ঢুকতে বাধা, চিরকুণ্ডা ব্রিজ আটকে তৃণমূলের বিক্ষোভ

শুভেন্দু বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল: ঝাড়খণ্ডের নিরসা বা ধানবাদ যাওয়ার সময় চিরকুণ্ডা ব্রিজের চেকপোস্টে আটকে দেওয়া হচ্ছে আসানসোল শিল্পাঞ্চলের মানুষদের। ফলে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে তাদেরকে। ই-পাস বা মেডিক্যাল সার্টিফিকেট ছাড়া ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না ধানবাদ জেলায়। এরই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার চিরকুণ্ডা ব্রিজ পথ অবরোধ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা। তাদের অভিযোগ, আসানসোলের মানুষদের সঙ্গে ধানবাদ প্রশাসন এই অসহযোগিতা করলে তারাও ওই জেলার বাসিন্দাদের আসানসোলে ঢুকতে দেবেন না। এদিনের এই অবরোধে আটকে পড়েন ধানবাদের বাসিন্দারা। ঘটনার জেরে ব্রিজের ওপারে গাড়ির লাইনে যানজট তৈরী হয়। আটকে পড়েন নিত্যযাত্রীরাও। বরাকর ফাঁড়ির পুলিশ চিরকুণ্ডা থানার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে। বিক্ষোভকারীদের দাবি জানানো হয় ঝাড়খণ্ডের নিরসা পুলিশের সার্কেল ইন্সপেক্টর বা সিআইকে। তিনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে ঘন্টা তিনেক পরে অবরোধ উঠে।

দুচাকা হোক বা চারচাকা যেকোনও গাড়িকে আরোহী সহ বরাকর হয়ে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ জেলায় ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। করোনা পরিস্থিতি দেখিয়ে এই কড়াকড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ধানবাদ প্রশাসন। কিন্তু বিপদে পড়েছেন দুই রাজ্যে যাদের নিত্য যাতায়াত বিভিন্ন কাজে।

তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা রবীন লায়েক বলেন, আসানসোল, বরাকর ও কুলটির অনেক মানুষ ধানবাদে বিসিএলের বিভিন্ন কোলিয়ারিতে কাজ করেন। এমনকি ইসিএলের খনিও রয়েছে ওই ধানবাদ জেলায়। একই ভাবে নিরসা ও ধানবাদের অনেক বাসিন্দা আছেন যারা আসানসোলের ব্যাঙ্কে ও কোলিয়ারিতে কাজ করেন। ধানবাদ প্রশাসন যদি সহযোগিতা না করেন তবে আমরাও ওই জেলা থেকে কাউকে আসতে দেবো না। রবীনবাবু আরো বলেন, এই বিষয়টি রাজ্যের আইন ও শ্রম মন্ত্রী মলয় ঘটককে জানিয়েছিলাম। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সঙ্গে কথা বলবেন ও এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করবেন।

Related Articles

Back to top button
Close