fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনা আবহে রক্তের আকাল আসানসোল জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে

শুভেন্দু বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল: করোনা আবহে রক্তের আকাল দেখা দিয়েছে আসানসোলে জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে। এই অবস্থায় রক্তের চাহিদা ও যোগানের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে আরও বেশি করে রক্তদান শিবির আয়োজন করার আবেদন করেছেন ব্লাড ব্যাঙ্কের চিকিৎসকরা। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই  আবেদন জানানো হয়েছে। আসানসোল পুরনিগমের মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারিও রক্তের ঘাটতির কথা জানিয়ে সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন।

জানা গেছে, এই মুহুর্তে রক্তের চাহিদা রয়েছে দৈনিক গড়ে ৫০ ইউনিট। কিন্তু দৈনিক গড়ে ১০ থেকে ১৫ ইউনিট পর্যন্ত রক্তের যোগান দিতে পারছেন না ব্লাড ব্যাঙ্কগুলি। এরফলে চরম সমস্যায় পড়ছেন রোগী ও তাদের আত্মীয় পরিজনেরা।

পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলে করোনা আক্রান্তর সংখ্যা সাম্প্রতিককালে কিছুটা হলেও বেড়েছে। ফলে আসানসোলের মানুষেরা কিছুটা হলেও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন৷  সমাজসেবী সংগঠনগুলির পাশাপাশি গত ৩/৪ মাস ধরে  ঠিকমতো রক্তদান শিবিরেরও আয়োজন করতে পারেনি।

[আরও পড়ুন- শিক্ষকতায় রাজ্য পুরস্কার পেলেন লক্ষীপুরের সৌমজিৎ]

আসানসোল জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের ইনচার্জ সঞ্জিত চট্টোপাধ্যায় বলেন যে, অন্য বছরের তুলনায় এই বছর রক্তদান শিবিরের সংখ্যা যেমন কমেছে, তেমনই শিবিরে রক্তদাতার সংখ্যাটাও কমেছে। কিন্তু রক্তের চাহিদা গত বছরের তুলনায় এবার কিছুটা হলেও বেড়েছে। তিনি আরও বলেন যে, গতবছরের এই সময় গড়ে দৈনিক ৪০ ইউনিট ও মাসে ১২০০ ইউনিট পর্যন্ত রক্তের চাহিদা ছিল।

কিন্তু চলতি বছরে এই সময়ে রক্তের চাহিদা বেড়ে দৈনিক গড়ে ৫০ ইউনিট ও মাসে প্রায় ১৫০০ ইউনিট হয়েছে। কিন্তু এখন গড়ে দৈনিক ১০ থেকে ১৫ ইউনিট কম রক্ত সংগ্রহ হচ্ছে। মাসে সংখ্যাটা ৮০০ ইউনিটের বেশি কোন ভাবেই  হচ্ছেনা। আগষ্ট মাসে রক্তের যোগান বলতে গেলে একেবারেই তলানিতে ঠেকেছে।

[আরও পড়ুন- সীমান্তে ফেন্সিডিল পাচারের সময় বিএসএফের গুলিতে মৃত্যু হল পাচারকারীর]

এই করোনা আবহে রক্তের যোগান দিতে বিভিন্ন আবাসনে ছোট ছোট শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আসানসোল পুরনিগমের  মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারিও সাধারণ মানুষের  কাছে রক্তদানের আবেদন করেছেন। তিনি বলেছেন, পুরনিগমের তৈরি করা স্থায়ী রক্তদান ভবনে করোনা স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে শিবিরের আয়োজন করা যেতে পারে। প্রয়োজনে পুর কর্তৃপক্ষ সব রকমের সাহায্য করবে।

 

Related Articles

Back to top button
Close