fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আশুতোষ পালের নেতৃত্ব নিয়ে দলের অভ্যন্তরে প্রশ্ন, বিড়ম্বনায় বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব

নিজস্ব সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর : বিজেপির নদীয়া জেলা উত্তরের সাংগঠনিক সভাপতি আশুতোষ পাল দলের অভ্যন্তরে ক্রমশ কোনঠাসা, বিতর্কিত চরিত্র হয়ে উঠেছে।বয়সের ভারে ভারাক্রান্ত, আরামপ্রিয় ভাড় প্রকৃতির নেতা এখন দলে নেতৃত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে অচল, তিনি এখন ব্রাত্য,অভিমত দলের একাধিক নেতা কর্মীর।

অধিকাংশ বুথ সভাপতি এই মুহূর্তে আশুতোষ বাবুর বিপক্ষে। বিগত লোকসভা নির্বাচনে কৃষ্ণনগরে দলের ভরাডুবির জন্য অনেকাংশেই দায়ী করা হয় তাকে। দলের অভ্যন্তরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ক্রমশ প্রকট হয়ে উঠেছে, আশুতোষ বাবু দায়িত্ব গ্ৰহনের পর থেকেই। কৃষ্ণনগর দলীয় কার্যালয়ে ভারতীয় জনতা পার্টি, নদীয়া জেলা উত্তর আয়োজিত কর্মীসভা থেকেই উত্তেজনার আঁচ ক্রমশঃ দাবানল হয়ে জেলাব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমসিম সেদিনের উপস্থিত রাজ্য নেতৃত্ব।

“বাঙ্গালীর ঘরে ঘরে আওয়াজ তোলো, বাংলার গনতন্ত্র বাঁচিয়ে তোলো”শীর্ষক দলীয় কর্মসূচি পালনের মধ্যদিয়ে তৃণমূলের হাত থেকে বাংলার গনতন্ত্র বাঁচাতে গিয়ে নিজেরাই পরিস্থিতির স্বীকার হলেন গত পরশু। বিজেপির রাজ্য সহসভাপতি বিশ্বপ্রিয় রায় চৌধুরী এবং সহ সভানেত্রী তথা জেলার পর্যবেক্ষক মাফুজা খাতুনের উপস্থিতিতে নদীয়াজেলা উত্তরের সাংগঠনিক সভাপতির প্রতি ক্ষোভ উগরে দেন, দলের কর্মী সমর্থকেরা। দলের উত্তরের সাংগঠনিক সভাপতি আশুতোষ পালের নেতৃত্ব নিয়ে সংগঠনের অভ্যন্তরে বার বার প্রশ্ন উঠছে। তবে কি বয়সের ভারে গতি হারিয়েছেন তিনি?

একজন আগ্ৰাসী মনোভাবাপন্ন তরুণ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে ই এই ঘাটতি পূরণ হতে পারে বলে অভিমত অনেকের।জেলার অধিকাংশ মন্ডল সভাপতি ই এই মুহূর্তে আশুতোষ বাবুর বিপক্ষে।

বিগত লোকসভা নির্বাচনেও দলের অভ্যন্তরে নিরপেক্ষ নেতৃত্ব প্রদানের ভূমিকায় সন্দিহান অনেকেই,খুশি নন জেলার অধিকাংশ নেতা কর্মীগন। অতি দ্রুত নেতৃত্বে নতুন মুখ না আনলে, ভূগতে হবে দলকে,এই অভিমত জেলার একাধিক নেতা-নেত্রীর।

Related Articles

Back to top button
Close