fbpx
আন্তর্জাতিকএকনজরে আজকের যুগশঙ্খদেশহেডলাইন

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের মন্দিরে হামলার তীব্র নিন্দা ভারতের মুসলিম নেতাদের

মোকতার হোসেন মন্ডল: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের মন্দিরে হামলার তীব্র নিন্দা করল ভারতের মুসলিম নেতাদের একাংশ। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে বাংলাদেশ সরকারকে আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

দেশের বৃহৎ ইসলামি সংগঠনের মধ্যে একটি জামায়াতে ইসলামি হিন্দ। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানিয়েছে,’ জামায়াতে ইসলামি হিন্দ বাংলাদেশের হিংসার ঘটনার নিন্দা জানান। অনাচার গণতন্ত্রকে দুর্বল করে। কোনও গণতন্ত্র ও ইসলামে ধর্মীয় স্থান ভাঙচুরের অনুমোদন দেয় না।’
জামায়াতে ইসলামি বিবৃতিতে আরও লিখেছে,আমরা আশা করি বাংলাদেশ সরকার সমস্যার সমাধান করবে এবং সংখ্যালঘু ও তার উপাসনালয়গুলিকে রক্ষা করবে।’
পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী এক ভিডিও বার্তায় মন্দিরে কোরান অবমাননা ও মন্দিরে হামলা, দুটিরই নিন্দা করেছেন।

বেঙ্গল ইমামস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মহম্মদ ইয়াহিয়া এক প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছেন,” বাংলাদশের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের তুমুল আনন্দোৎসবের জায়গা দখল করেছে ভয়ভীতি আর আশঙ্কা। ৩২ হাজারের বেশি পুজো হয় বাংলাদেশে। পূজো মণ্ডপকে কেন্দ্র করে যেখানে প্রতিটি পরিবারের প্রতিটি সদস্যের অনাবিল আনন্দে মেতে ওঠার কথা ছিল, সেখানে কুমিল্লার একটি পুজো মণ্ডপের অনভিপ্রেত ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা।

সোশাল মিডিয়ার কল্যাণে তা মাত্রাছাড়া হওয়ার আশঙ্কা। একজন ভারতীয় সংখ্যলঘু হিসেবে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বর্তমান মানসিক অবস্থা উপলব্ধি করা মোটেও জটিল কিছু নয়। আমরা অসহায়, আমাদের তেমন করণীয় নেই। তবুও শর্তহীনভাবে ভাষা, সম্প্রদায়, সীমানা নির্বিশেষে সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক কর্তব্য।”

একটি কলেজের অধ্যক্ষ ড: নুরুল ইসলাম বাংলাদেশের বিষয়টি নিয়ে এই প্রতিবেদককে জানান,’কোরান অবমাননার চক্রান্ত ও বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণ উভয়ের সমান ভাবে আমরা তীব্র ভাষায় নিন্দা করি।”
অধ্যাপক আবু সালেহ জানান, ঘটনায় যারা জড়িত তাদের শাস্তি হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, এটা অন্য দেশের ঘটনা, তা নিয়ে আমাদের এখানে যেভাবে জল ঘোলা করা হচ্ছে সেটা বন্ধ হওয়া দরকার।

Related Articles

Back to top button
Close