fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সৌদিতে ফরাসি কনস্যুলেটের প্রহরীকে ছুরিকাঘাত, আটক হামলাকারী

জেদ্দা, ৩০ অক্টোবর (সংবাদ সংস্থা): ফ্রান্সে কাটুন বিতর্ক এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁর ইসলাম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের রেস ধরে উগ্রতা ছড়িয়ে পড়েছে সৌদি আরবে। জেদ্দায় ফরাসি কনস্যুলেটের এক নিরাপত্তাকর্মীকে ছুরিকাঘাত করেছে সৌদি নাগরিক। সূত্রের খবর, গুরুতর আহত অবস্থায় নিরাপত্তাকর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে সৌদিতে অবস্থিত ফরাসি দূতাবাস এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। কূটনৈতিক স্থাপনায় হামলা ‘চরম অন্যায়’ বলে মন্তব্য করেছে তারা।

এদিকে সৌদি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফরাসি কনস্যুলেটে হামলাকারী সৌদি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার একই ঘটনা ঘটেছে ফ্রান্সের নিস শহরে। সেখানকার একটি গির্জায় ছুরি দিয়ে তিনজনকে হত্যা করেছে এক হামলাকারী। হামলার ১০ মিনিটের মাথায় সন্দেহভাজন একজনকে আটক করেছে ফরাসি পুলিশ।

চলতি মাসের শুরুর দিকে মুসলিমদের ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ এবং ‘ইসলাম বিশ্বব্যাপী সংকটাপন্ন এক ধর্ম’ মন্তব্য করে বিতর্ক উসকে দেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁ। এর কিছুদিন পর ক্লাসরুমে হজরত মহম্মদ (সাঃ)-এর বিতর্কিত ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের পর এক শিক্ষকের শিরশ্ছেদ করেন এক মুসলিম যুবক। এ ঘটনার জেরে ম্যাক্রোঁ ঘোষণা দেন, তার দেশ হজরত মহম্মদ (সাঃ)-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন বন্ধ করবে না। পরে ফ্রান্সের দু’টি সরকারি ভবনে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বড় করে সেই বিতর্কিত ছবি দেখানো হয়।এরপরই ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা মুসলিম বিশ্বে। হজরত মহম্মদ (সাঃ)-কে অপমানের জবাবে শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ। দেশে দেশ ছড়িয়ে পড়ে ফ্রান্স বয়কটের ডাক। এমনকি, ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের দাবিও উঠেছে অনেক জায়গায়।

এ প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত, ফরাসি প্রেসিডেন্ট উসকানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে সব পক্ষকে উগ্রবাদের দিকে ঠেলে দিয়েছেন। তবে ইসলামি চিন্তাবিদরা বলছেন, প্রকৃত ইসলাম কখনোই উগ্রবাদকে সমর্থন করে না।

Related Articles

Back to top button
Close