fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পাওনা টাকা শোধ দিতে না পেরে পাওনাদারকে সুপারি কিলার দিয়ে খুনের চেষ্টা, তদন্তে পুলিশ

মিলন পণ্ডা, ভগবানপুর (পূর্ব মেদিনীপুর): পাওনা টাকা শোধ দেওয়ার নাম করে সুপারি কিলার দিয়ে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠলো যুবকের বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা অচৈতন্য অবস্থায় ওই যুবককে উদ্ধার করে ভগবানপুর গ্রামীন হাসপাতালে ভর্তি করেন। সুবিচারের আশায় থানায় থানায় দ্বারস্থ হলেন আহত ব্যাক্তির স্ত্রী। ঘটনাটি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর থানার সিমুলিয়া এলাকায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ভগবানপুর থানার পুলিশ। অভিযুক্ত এখন ফেরার রয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার খবর প্রকাশ্যের আসার পরই গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূএে জানা গেছে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সিমুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা মহিতোষ সাহু ঠিকাদারি ব্যবসা রয়েছে। গ্রামের বাসিন্দা শান্তনু বর্মনের সঙ্গে মহিতোষ বাবু দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব রয়েছে। ব্যবসা করার জন্য বন্ধু মহিতোশের কাছ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা ধার নেয় শান্তনু বলে অভিযোগ। দীর্ঘদিন কেটে গেলেও সেই টাকা শোধ দেওয়ার আগ্রহ দেখায়নি শান্তনু বলে অভিযোগ। টাকা চাইলে বেশ শোধ করে দিবো জানায় শান্তনু। তারপরে কয়েক মাস কেটে যায় কিন্তু টাকা শোধ দেয়নি অভিযুক্ত শান্তনু বলে অভিযোগ। পাঁচ লক্ষ টাকা শোধ না দেওয়ার চাপ দিতে থাকে মহিতোষ বলে অভিযোগ।

        আরও পড়ুন: অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করলেন শোভন-বৈশাখী, তাহলে কি বরফ গলল?

গত ১ নভেম্বর টাকা শোধ দিবে বলে মহিতোষের  বাড়িতে কিছু যুবককে পাঠায় শান্তনু বলে অভিযোগ। তারপরে ভগবানপুর গোয়ালাপুকুরে ফাঁকা মাঠে সুপারি কিলার দিয়ে প্রাণে মেরে উদ্দোশ্যের লোহাড় হাতুড়ি আঘাত করে বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় মাঠের লুটিয়ে পড়ে মহিতোষ এবং সেখান সঙ্গা হারিয়ে ফেলেন। মৃত্যু হয়েছে ভেবেই মাঠে ফেলে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। বিকাল থেকে সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও বাড়ি ফিরে আসেনি মহিতোষ। মোবাইলে যোগাযোগ করা হলেও তা সম্ভব হয়ে উঠেনি।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পান।পরিবারের সদস্যদের খবর দেন৷ স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যদের অচৈনত্য অবস্থায় উদ্ধার করে ভগবানপুর গ্রামীন হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসার পর সুস্থ হয় মহিতোষ। তারপরে স্ত্রী মৌসুমি সাহুকে পুরো ঘটনাটি জানায়। মৌসুমিদেবী ভগবানপুর থানার একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি থানায় অভিযোগ করে বলেন তার স্বামী সঙ্গে গ্রামের বাসিন্দা শান্তনু বর্মণের বন্ধুত্ব সম্পর্ক ছিল। সেই সুযোগের পাঁচ লক্ষ টাকা ধার নেয় শান্তনু। টাকা পরিশোধ করার নাম ধরেননি। খুনের পরিকল্পনা করে কিছু যুবক ঠিক করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। গোয়ালাপুকুরে ফাঁকা মাঠ থেকে স্বামীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি।

 

এ বিষব ভগবানপুর থানার ওসি প্রনব রায় বলেন অভিযোগ দায়ের হয়েছে৷ ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। যদিও তদন্তে কারনে বেশি কিছু জানাতে রাজি হয়নি পুলিশ।

Related Articles

Back to top button
Close