fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

ড্রোন হামলায় নিহত আল-কায়েদার শীর্ষ নেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরি, বিবৃতি দিল হোয়াইট হাউস

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্ক: ড্রোন হামলায় নিহত আল-কায়েদার শীর্ষ নেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরি। আফগানিস্তানে সিআইএ-এর ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রবিবার ভোর ৮টা ১৮ মিনিটে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে জাওয়াহিরির আস্তানায় সিআইএ ওই হামলা চালায়।

হোয়াইট হাউজের এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, ‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ওই সন্ত্রাসী নেতা আর জীবিত নেই। আমরা কখনও হারিনি।’

এই খবর দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন, বিশ্বের সবথেকে কুখ্যাত এই সন্ত্রাসবাদী প্রাণ হারানোয় ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বিমান হানায় প্রাণ হারানো তিন হাজার মানুষের পরিবার ন্যায় বিচার পেল৷

টেলিভিশনে ভাষণ দিতে গিয়ে জো বাইডেন দাবি করেছেন, কাবুলে মার্কিন ড্রোন হানায় মৃত্যু হয়েছে ৭১ বছর বয়সি আল কায়দা প্রধানের৷ তবে এই অপারেশনে কোনও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটেনি৷ বাইডেন বলেন, ‘ন্যায়বিচার হয়েছে৷ এই সন্ত্রাসবাদী নেতা আর বেঁচে নেই৷’ পরে ট্যুইটারে বাইডেন লেখেন, ‘যাঁরা আমাদের দেশের মানুষের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের রক্ষা করতে আমেরিকা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ৷ আজকে আমরা এটা স্পষ্ট করে দিয়েছি৷ তার জন্য যত সময় লাগুক না কেন, আমরা তাকে খুঁজে বের করবই৷’

আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেন ২০১১ সালের ২ মে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে মার্কিন কমান্ডো হামলায় নিহত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক এ সন্ত্রাসী সংগঠনের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় আঘাত।

বেসামরিক বিমান ছিনতাই করে ২০০১ সালে নিউ ইয়র্কের বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র (টুইন টাওয়ার), পেন্টাগন আর পেনসিলভানিয়ায় আত্মঘাতী হামলা চালিয়ে ৩ হাজারের বেশি মানুষকে হত্যার ঘটনার অন্যতম পরিকল্পনাকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয় মিশরীয় চিকিৎসক জাওয়াহিরিকে, যিনি সে সময় ছিলেন ওসামা বিন লাদেনের শীর্ষ উপদেষ্টা।

মার্কিন আধিকারিকরা দাবি করেছেন, ২০২০ সালে দোহায় যে চুক্তি তালিবানদের সঙ্গে যে চুক্তির ভিত্তিতে আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা সেনা প্রত্যাহার করেছিল, তা লঙ্ঘন করেই কাবুলে ছিলেন জাওয়াহিরি৷ ওই চুক্তি অনুযায়ী, আফগানিস্তানের মাটিকে কোনও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের জন্য ব্যবহার করতে দেবে না তালিবানরা৷ কিন্তু বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, কখনওই আল কায়দার সঙ্গে তালিবানদের সম্পর্ক ছিন্ন হয়নি৷

তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ এক বিবৃতিতে কাবুলে একটি হামলার ঘটনার কথা স্বীকার করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তার ভাষায়, এটা ‘আন্তর্জাতিক নিয়মের লঙ্ঘন’।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close