fbpx
দেশহেডলাইন

‌রামদেবের করোনার ওষুধ নিয়ে প্রতিক্রিয়া আয়ুষ মন্ত্রকের! বন্ধ বিজ্ঞাপন

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বের বৈজ্ঞানিকরা গত কয়েকমাস ধরে  অক্লান্ত পরিশ্রম করে যে টা পারেনি, সেই অসাধ্য সাধন করেছে  যোগগুরু বাবা রামদেব। পতঞ্জলি দিনকয়েকের মধ্যেই বানিয়ে ফেলেছে করোনিল নামক একটি ওষুধ। এমনকি সেই নিয়ে বিজ্ঞাপনও দিতে শুরু করেছিল এই সংস্থা। তবে সম্প্রতি কেন্দ্রের নির্দেশে সেই বিজ্ঞাপন তুলে দেয় পতঞ্জলি। কেন্দ্রীয় আয়ুশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ওষুধ পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে না। এর বেশি কিছু জানায়নি মন্ত্রক। তবে সম্প্রতি কেন্দ্রের নির্দেশে সেই বিজ্ঞাপন তুলে দেয় পতঞ্জলি।

জানা যাচ্ছে, কোনওরকম সরকারি পরীক্ষা ছাড়াই রামদেব ওষুধটি করোনার ভাইরাসের প্রতিষেধক হিসেবে প্রচার চালাচ্ছে। ফলে আপাতত কম্পোজিশন টেস্টে সবুজ সঙ্কেত পাওয়া না অবধি এই ওষুধ বিক্রি করা যাবে না বলে জানায় কেন্দ্র। এদিন এই নিয়ে মুখ খোলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক। আয়ুশ মন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক জানালেন, ‘‌এটা খুবই ভাল বিষয়, যে যোগগুরু দেশের জন্য ওষুধ তৈরি করেছেন। আইন অনুসারে আগে আয়ুশ মন্ত্রকের কাছে ওষুধ পাঠাতে হবে। ওরা রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছে বলে শুনলাম। রিপোর্ট দেখে তবেই অনুমতি দেওয়া হবে।’‌

তিনি আরও জানান, যে কেউ ওষুধ বানাতে পারে, এমনকি এই কয়েকমাসে অসংখ্য সংস্থা করোনা প্রতিষেধক বানিয়ে আমাদের কাছে টেস্টিংয়ের জন্য পাঠিয়েওছে। কিন্তু পতঞ্জলির তরফ থেকে গবেষণা সংক্রান্ত কোনওরকম বিবরণ আয়ুষ মন্ত্রকের কাছে পাঠায়নি। সকলের জন্যই একই নিয়ম, কেউই তা এড়িয়ে যেতে পারবে না। আয়ুষ মন্ত্রকের তরফ থেকে এই নিষেধাজ্ঞা জারির পর সম্প্রতি কেন্দ্রীয়  স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফ থেকে পতঞ্জলি আয়ুর্বেদকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।গতকালই ‘‌করোনিল’‌ এবং ‘‌স্বসরী’‌ নামে দু’‌টি আয়ুর্বেদিক ওষুধ বাজারেও আনে পতঞ্জলি। দাবি করে, এগুলো কোভিড সারাবে। ফলাও করে নিজেদের তৈরি ওষুধের বিজ্ঞাপনও দেয় রামদেবের সংস্থা। তার পরই এই ওষুধ সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য চায় কেন্দ্র।

আরও পড়ুন: পতঞ্জলির করোনা ওষুধ আবিষ্কারের দাবিকে নস্যাৎ করে রামদেবকে চিটিংবাজ তকমা অধীরের

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগেই পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল দেশজুড়ে ২৮০ জন করোনা রোগীর শরীরে এই ওষুধের ট্রায়াল দেওয়া হয়েছিল এং তাতে সাফল্য মিলেছে৷ ২৮০ জনের টেস্ট রিপোর্ট আপাতত নেগেটিভ এসেছে। তাও নাকি আবার ১৪ দিনের মধ্যে। দেশের প্রতিটি জায়গায় এই করোনা ওষুধ আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পাওয়া যাবে বলে প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছিল। দাম ছিল ৫৪৫ টাকা।

রামদেবকেই টুইটে অধীরবাবু বলেন, “আপনি সত্যিই একটা চিটিংবাজ বটে। ভোজবাজির মতোই করোনা সারিয়ে দিতে পারেন আপনি!”লিখেছেন, “সরকারের উচিত এই গেরুয়া ভেকধারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।”

 

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close