fbpx
দেশহেডলাইন

‘কাশি মথুরা বাকি আছে, সব দাগ ধুতে হবে’, বাবরির রায়ের পর বললেন আচার্য ধর্মেন্দ্র

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: বাবরি মসজিদ নিয়ে ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেছে সিবিআই-এর বিশেষ আদালত। অভিযুক্তদের বেকসুর খালাস করেছেন বিচারক সুরেন্দ্র কুমার যাদব। রায় ঘোষণার পরেই গোটা কোর্ট চত্বর জুড়ে জয় শ্রী রাম ধ্বনি ওঠে। এর মামলার রায় বেরনোর পর অন্যতম অভিযুক্ত আচার্য ধর্মেন্দ্র বলেছেন, সত্যের জয় হয়েছে। রায়দানকে আমি প্রণাম জানাচ্ছি।‘

 

তিনি আরও বলেন, “বাদ বাকি যা যা পুরনো দাগ রয়েছে সেগুলিকে ধোয়া হবে। কাশি মথুরা বাকি আছে।” উল্লেখ্য, আচার্য ধর্মেন্দ্র ছাড়াও এই মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, লালকৃষ্ণ আডবাণী, মুরলি মনোহর যোশী, উমা ভারতী, বিনয় কাটিয়ার, সাধ্বী ঋতম্ভরা, মহন্ত নৃত্য গোপাল দাস, ডা. রামবিলাসী বেদান্তি, চম্পত রায়, মহন্ত ধর্মদাস, সতীশ প্রধান, পবন ক্যমার পান্ডে, লল্লু সিং প্রকাশ শর্মা, বাহাদুর সিং, সন্তোষ দুবে, গান্ধী যাদব, রামজি গুপ্তা, ব্রজ ভূষণ শরণ সিং, কমলেশ ত্রিপাঠী, রামচন্দ্র ক্ষত্রী, জয় ভগবান গোয়েল, ওম প্রকাশ পান্ডে, অমর নাথ গোয়েল, জয়ধন সিং পবৈয়া, মহারাজ স্বামী সাক্ষী, বিনয় কুমার  রায়, নবীন ভাই শুক্লা, আরিয়ান শ্রীবাস্তব, সুধীর কুমার কক্কর এবং ধর্মেন্দ্র সিং গুর্জর। প্রসঙ্গত, প্রায় তিন দশক ধরে খুব ধীর গতিতে চলছে বিচার প্রক্রিয়া। লখনউ-এর ওল্ড কোর্ট হাউস বিল্ডিং-এর এক কোণে ১৮ নম্বর কোর্টরুমে এই মামলার বিচার হয়। ২০১৭ সালের ১৯ এপ্রিল দেশের শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয় যে, রোজ এই মামলার শুনানি করতে হবে।

 

সেই সময় কর সেবকরা মনে করতেন যে, যেখানে বাবরি মসজিদ দাঁড়িয়েছিল, সেখানেই জন্ম হয়েছিল রাম মন্দিরের। তাই তাঁরা মসজিদটি ভেঙে ফেলে। আর তারপরেই গোটা দেশজুড়ে শুরু হয় হিংসা। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, এই হিংসার ঘটনায় প্রায় ১৮০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন।

Related Articles

Back to top button
Close