fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ফিরহাদকে আইনি নোটিশ বৈশাখীর

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মিল্লি আল আমিন কলেজ থেকে বদলি করা হয়েছে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এই বিষয়টি মোটেই ভালো ভাবে নেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ ছিল, পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের কথাতেই তাঁকে বদলি করা হয়েছে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁকে ‘উপড়ে’ ফেলা এত সহজ নয়। এই ঘটনার এক সপ্তাহের মধ্যেই ফিরহাদ হাকিমকে আইনি নোটিশ পাঠালেন বৈশাখী দেবী।
তখনও তিনি বিজেপিতে যোগদান করেননি। সেই সময় থেকে মিল্লি আল-আমিন কলেজ ফর গার্লস কলেজে তাঁর ভূমিকা নিয়ে সরগরম ‘শিক্ষা রাজনীতি’। এরপর বিজেপিতে পাকাপাকিভাবে বৈশাখী যোগ দেওয়ায় সেই তরজা-আগুনে ঘি পড়ে। তাঁর অভিযোগ, “পুর মন্ত্রী বলেছেন মিল্লি আল-আমিন কলেজের টিচার ইনচার্জকে উপড়ে ফেলে দেওয়া উচিৎ।” আর এরপরেই বদলির নোটিশ পান তিনি। তবে এই ঘটনার শেষ দেখেই ছাড়বেন বলে হুঁশিয়ারি দেন বৈশাখী দেবী।
রাজ্যের পুরমন্ত্রীকে তাঁর ‘বিতর্কিত মন্তব্য’র জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বললেন বৈশাখীর আইনজীবী। না হলে ফিরহাদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হবে বলেও আইনি নোটিসে লেখা হয়েছে। একইসঙ্গে কলকাতা পুরসভার ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি আমিরুদ্দিন ববিকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “ফিরহাদ ও আমিরুদ্দিন ববি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হওয়া সত্ত্বেও চূড়ান্ত দায়িত্ব জ্ঞানহীনের মতো কাজ করেছেন। আমি একজন শিক্ষক এবং একজন মহিলা। তা সত্ত্বেও আমার সম্পর্কে অত্যন্ত অবমাননাকর মন্তব্য করে যেভাবে আমাকে জনসমক্ষে অপদস্থ করার চেষ্টা তাঁরা করেছেন সেটার একটা প্রতিবাদ হওয়া দরকার। শুধু অবমাননা করেই এরা থামেননি। প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে আমাকে রাতারাতি বদলিও করা হয়েছে। এই পরিস্থিতির মুখে ভবিষ্যতে যাতে আর কাউকে পড়তে না হয়, তার জন্যই আমি এই আইনি পদক্ষেপ করলাম।”
যদিও এই প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, তিনি কোনও আইনি নোটিশ পাননি। নোটিশ পেলে তবেই এই বিষয়ে মন্তব্য করবেন তিনি।

Related Articles

Back to top button
Close