fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

বাংলা কোমায় চলে গিয়েছে, সর্বদলীয় বৈঠক করে কী হবে? মমতাকে প্রশ্ন রাহুলের

রক্তিম দাশ, কলকাতাঃ  বাংলা কোমায় চলে গিয়েছে এখন সর্বদলীয় বৈঠক করে আর কি হবে! মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এমনভাবেই কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয়  সম্পাদক রাহুল সিনহা। উল্লেখ্য, রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার নবান্নে সর্বদলীয় বৈঠকের আহ্বান করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

 

এদিন যুগশঙ্খকে রাহুল সিনহা বলেন, ‘আমি করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ হওয়ার আগেই বারবার সর্বদলীয় বৈঠকে ডাকার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে বলছিলাম। তখন ডাকলেন না। নিজে সব বুঝে নেবেন বলে, এখন শেষ লগ্নে রোগি যখন কোমায় চলে গিয়েছে তখন ডাক্তার ডাকলে লাভ কি হবে? প্রথমে সরকার করোনা নিয়ে তথ্য লুকালো। কোভিড হাসপাতালের দূরবস্থা যাতে প্রকাশ্যে না আসে তার জন্য মোবাইল নিষিদ্ধ করল। মৃতদেহ লোপাট করল। এখন কি সত্যি কিছু করার আছে?’ সর্বদলীয় বৈঠক নিয়ে তিনি আশাবাদি নন বলে জানিয়ে রাহুলবাবু বলেন,‘ ভাষা ও জাতিভেদে লকডাউন চলল বাংলা জুড়ে। সর্বদলীয় বৈঠকে কি চরম দূর্নীতি, আমফানের ত্রাণ লুট, মৃতদেহ লুকানো, রাজ্যে কেন করোনার ব্যাপক স্যাম্পেল টেস্ট হল না তা নিয়ে কি মুখ্যমন্ত্রী আলোচনা করবেন? এগুলো কেউ আলোচনায় তুললেই তো উনি তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠবেন। বৈঠকে মিথ্যা ভাষণবাজি আর লম্বা-চওড়া ঘোষণা হবে। ওঁনার ঠিক করা এজেন্ডাতেই আলোচনা হবে, তাতে রাজ্যের কি লাভ হবে? এটা একটা আই ওয়াশ করার বৈঠক হবে।’

 

 

এদিন ভারতকেশরি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে স্মরণ করে রাহুলবাবু বলেন,‘ ওঁনার আজ বলিদান দিবস। রাষ্ট্রের জন্য জীবন দিয়েছিলেন তিনি। তাই আমরা বলি নেতা নয়, দল নয়, সবার আগে দেশ। দেশের জন্য বিজেপির নেতা-কর্মীরা সবরকমের বলিদান দিতে প্রস্তুত। তৃণমূল,বাম,কংগ্রেসের সঙ্গে আমাদের এখানেই ফারাক।’ পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়া নিয়ে বিরোধিদের সমলোচনার জবাবে বিজেপির সম্পাদক বলেন,‘ দাম বাড়লেই রাজনীতি শুরু হয়। দাম কমলে এসব নেতাদের খুঁজে পাওয়া যায় না।’ প্রধানমন্ত্রী মোদিও লোকাল টু গ্লোভালে ব্যাপক সাফল্য এসছে দাবি করে রাহুল সিনাহা বলেন,‘ আমরা এখন চিকিৎসার সরঞ্জাম ভেন্টিলেটার তৈরি করছি ব্যাপক হারে। যা সারা দেশজুড়ে বিলি করার জন্য পিএম কেয়ার ফান্ডের টাকা ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু করোনা রোগিদের জন্য পশ্চিমবঙ্গে যত দরকার তার থেকে আমরা কম পাব। তার কারণ, এর শর্ত হচ্ছে রাজ্যে জনসংখ্যা ও আক্রান্তের সংখ্যা। জনসংখ্যা তো ঠিক আছে কিন্তু মমতা সরকার সংক্রমণকে লুকিয়ে রেখেছে। সংক্রমণ কমিয়ে দেখিয়েছে। এর কারণে ভেন্টিলেটার যত পাওয়ার কথা তা আমরা পাব না। পিএম কেয়ার ফান্ড থেকে রাজ্য সরকার ৫৩ কোটি টাকা পাচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য। রাজ্য সরকার পরিযায়ীদের নির্যাতন করেছে তারপরেও এই টাকা আসছে। তাই আবেদন করব, রেশনের চাল খেয়েছেন। আমফানের ত্রাণের টাকা খেয়েছেন। এবার অন্তত পরিযায়ীদের টাকাটা তাঁদের কল্যানে লাগান।’

Related Articles

Back to top button
Close