fbpx
আন্তর্জাতিকবাংলাদেশহেডলাইন

আর বাকি ৬০…তারপর অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পে কোনও বাংলাদেশি থাকবে না: ঢাকা  

যুগশঙ্খ প্রতিবেদন, ঢাকা: অসমে কথিত ‘বাংলাদেশি’দের অবৈধ বসবাসের যে মিথ তৈরি করেছিল এক শ্রেণির রাজনৈতিকরা তা ভেঙে যাচ্ছে। গত বছর এনআরসি’র চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর কথিত বাংলাদেশি বসবাসের অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এবার অসমের ডিটেনশন ক্যাম্প বা বন্দিশিবিরগুলোতেও বাংলাদেশিদের সংখ্যা নিয়ে মিথ ভাঙছে।

সম্প্রতি ডিটেনশন ক্যাম্প থেকে দেশে ফিরে বাংলাদেশের নাগরিকরা জানিয়েছেন, বন্দিশিবিরগুলোতে যারা বন্দী হয়; তাদের অমানুষিক নির্যাতন করা হয়, দেয়া হয়না চাহিদা অনুযায়ী খাবার। এটাকে বন্দিরা ‘নরক’ বলে আখ্যা দেন। কথিত এই ‘নরক’ থেকে মুক্তি পেয়ে ১৭৭ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। ফেরার অপেক্ষায় ৬০ জন। এরা ফিরলেই অসমের বন্দিশিবিরে আর কোনো বাংলাদেশি খুঁজে পাওয়া যাবে না।

অসমের বন্দিশিবিরগুলোতে যারা বন্দি আছেন তাদেরকে ‘বাংলাদেশি’ হিসেবে চিহিৃত করা হয়। তবে প্রকৃতপক্ষে সন্দেহজনক বাংলাদেশি নাগরিক কতজন রয়েছেন; তার সঠিক তথ্য সংগহ করছে গুয়াহাটিস্থ বাংলাদেশ সহকারি হাইকমিশন।

গুয়াহাটির বাংলাদেশ মিশনের সহকারি হাইকমিশনার ড. শাহ মুহাম্মদ তারভীর মনসুর যুগশঙ্খকে জানান,‘আমরা বিভিন্ন ডিটেনশন ক্যাম্পে গিয়ে বন্দিদের শনাক্ত করি। তাদের তথ্য সরকারকে পাঠাই। যাচাই-বাছাইয়ের পর বাংলাদেশি হিসেবে প্রমাণ হলে তাদেরকে আমরা আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্ত করে দেশে পাঠাই। ২০১৭ সালের মার্চ থেকে গুয়াহাটির মিশন চালু হওয়ার পর ১৭৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে চিহিৃত করা হয়েছে এবং তাদের দেশে ফেরানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘গত ৩ নভেম্বর তেজপুর, গোয়ালপাড়া, শিলচর, ডিব্রুগড়, কোঁকড়াঝাড় ও জোরহাট জেলার বন্দিশিবির থেকে মুক্ত করে ৪২ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুক্ত করে ফেরানো হয়েছে। এরপর ১৫ নভেম্বর আরও ৬ জনকে দেশে ফেরানো হয়।’

তারভীর মনসুর আরও বলেন, ‘আমরা এখনও পযন্ত ২৩৭ জনকে শনাক্ত করেছি। যারা বিভিন্ন সময় অনুবেশ করা এবং ভিসার মেয়াদ শেষ যাওয়ার পর আটক হয়ে সাজা ভোগ করছিলেন। ১৭৭ জনকে দেশে পাঠানো হয়েছে। এখন বিভিন্ন ক্যাম্পে ৬০ জন বাংলাদেশি রয়েছেন। তাদেরকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এদের পাঠানোর পর অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পে আর কোনও বাংলাদেশিকে খুঁজে পাওয়া যাবে না।’

Related Articles

Back to top button
Close