fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ফের শুরু রাজ্যের শাসক দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি ‘বাংলার গর্ব মমতা’

শুভেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়, আসানসোল: করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় লকডাউনের প্রথম দিন থেকে আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়কে দেখা যায়নি তার সংসদীয় এলাকায়। এমনকি সাংসদের দত্তক নেওয়া গ্রাম ‘ সিধাবাড়ি’তেও কোনও ত্রাণের ব্যবস্থা করেননি বাবুল সুপ্রিয়। কিন্তু সেই গ্রামের মানুষদের কাছে দিনের পর দিন চাল ডাল তো বটেই সবজি, থেকে প্রোটিন যুক্ত খাবার পৌঁছে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

চতুর্থ দফার লক ডাউন শেষে ” আনলক – ১ ” র প্রথম দিন থেকে ফের শুরু হয়েছে রাজ্যের শাসক দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি ‘বাংলার গর্ব মমতা’। সেই কর্মসূচিতে নেমে রবিবার সকালে এক সাংবাদিক সম্মেলনে আসানসোলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় ও বিজেপিকে এইভাবেই আক্রমণ করেন বারাবনির বিধায়ক বিধান উপাধ্যায়। করোনা সংক্রমণের জেরে লক ডাউনে মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে, শুধু মিথ্যাচারের টুইট করার জন্য বিধায়ক তীব্র সমালোচনা করেন আসানসোলের সাংসদের।

এদিন রূপনারায়ণপুরে হওয়া সেই সাংবাদিক সম্মেলনে বিধায়ক ছাড়াও ছিলেন সালানপুর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি তথা জেলা পরিষদের কর্মাধক্ষ্য মহঃ আরমান, বারাবনির ব্লকের সভাপতি তথা জেলা পরিষদ সদস্য অসিত সিং ও সালানপুর ব্লকের সম্পাদক ভোলা সিং।
এদিন তৃনমুল কংগ্রেসের নেতারা দাবি করেন, আসানসোলের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ঝাড়খণ্ড সীমানার পাঁচটি চেকপোস্ট আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকদের প্রতিদিনের খাবারের ব্যবস্থা করা ও বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, একদিনও বিজেপির নেতা ও কর্মীদের এইসব মানুষদের পাশে থাকার জন্য রাস্তায় দেখা যায়নি।

উল্লেখ্য, শনিবারই কেরল থেকে আসা ৭০ জন পরিযায়ী শ্রমিককে বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করেন বারাবনির বিধায়ক বিধান উপাধ্যায়। বাংলা ঝাড়খন্ড সীমান্তের রূপনারায়ণপুর চেকপোস্ট থেকে ২৪ পরগণার ক্যানিংয়ে পৌঁছে দেওয়া হয় তাদের।

কেরল থেকে সাত দিনের ট্রেন সফরে জসিডি স্টেশনে পৌঁছান ওই ৭০ জন পরিযায়ী শ্রমিক। যোসিডি থেকে রূপনারায়াণপুর চেকপোস্ট তারা নিজেরাই আসেন। খবর পেয়ে বিধায়কের নির্দেশে সালানপুর ব্লকের তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক ভোলা সিং ও সমাজসেবী আশুতোষ তেওয়ারির সহযোগিতায় সকলের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এরপর তাদেরকে একটি ট্রাকে চাপিয়ে দিশে ক্যানিং পৌঁছনোর ব্যবস্থা করা হয়।

বিধায়ক এদিন করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় ও আমফান বিপর্যস্ত বাংলার বিভিন্ন জেলার মানুষদের পাশে থেকে কিভাবে রাজ্য সরকার লড়াই চালাচ্ছে সেই তথ্য তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি বিজেপির তরফ থেকে সোশাল মিডিয়া ভুয়ো পোস্ট করে যে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে সেই নিয়ে সরব হন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা।

Related Articles

Back to top button
Close