fbpx
কলকাতাহেডলাইন

নির্বাচনের আগে রাজ্যে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বিনিয়োগ কর্মসংস্থান নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

অভীক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা: দুয়ারে দুয়ারে সরকার প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষের কাছে একাধিক সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে  দেওয়ার চেষ্টা হলেও রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের চিত্র পুনরুদ্ধারে মরিয়া রাজ্য প্রশাসন। সেই কারণে মঙ্গলবার নবান্ন প্রশাসনিক বৈঠকে ফের রাজ্যে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বড় বিনিয়োগ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে করোনা পরিস্থিতির জন্য বকেয়া খাজনায় সুদ মকুবের ঘোষণা করলেন তিনি।

শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে রাজ্য সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রদান সহ রাজ্য সরকার যে শিল্পকেও গুরুত্ব সহকারে দেখতে চাইছে, তা এদিন নবান্নের প্রশাসনিক বৈঠকে স্পষ্ট করে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, এদিন রাজ্যে ক্যাবিনেটের বৈঠকে একাধিক বিনিয়োগে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। নিউটাউনের সিলিকন ভ্যালিতে ২০টি তথ্য প্রযুক্তি সংস্থাকে জমি দেওয়া হয়েছে।  উইপ্রো এবং ইনফোসিসকেও কলকাতায় আরও একটি ইউনিট খুলতে জমি দেওয়া হচ্ছে।  তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের লক্ষ লক্ষ যুব সম্প্রদায় চাকরি পাবেন। জলপাইগুড়িতে একটি সিমেন্ট সংস্থাকেও সরকারের তরফে জমি দেওয়া হয়েছে। সেখানেও স্থানীয় মানুষজনের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা প্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর।

আরও পড়ুন- তৃণমূলের বিদ্রোহের আগুন দুর্গাপুর পশ্চিমে

একইসঙ্গে লকডাউনের জেরে মানুষের পরিস্থিতির কথা বিচার করে জমির বকেয়া খাজনা নিয়ে সুদ মকুবের কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।  লকডাউনের জেরে মার্চ মাস থেকে থেকে সমস্ত সরকারি অফিস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকেরই প্রচুর খাজনা জমে গিয়েছে। আবার উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়ায় মানুষের হাতে টাকার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ফলে একদিকে মানুষ যেমন খাজনার টাকা দিতে পারেননি, ঠিক তেমনই ভূমি আইন অনুযায়ী, সেই বকেয়া খাজনা মেটাতে হলে চড়া হারে ৬.২৫% সুদ দিতে হবে। কিন্তু করো না পরিস্থিতির কথা বিচার করে সেই আইন কিছুটা শিথিল করে ২০২১ সালে জুন মাসের মধ্যে ওই বকেয়া খাজনা জমা করলে কোনও সুদ দিতে হবে না বলেও জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

একইসঙ্গে নেতাজির ১২৫ তম জন্মদিবস পালনের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে মাঝেরহাট ব্রিজের নাম বদলের সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। রেল মন্ত্রী থাকাকালীন কলকাতা মেট্রো একাধিক স্টেশনের নাম এভাবে বদল করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার নেতাজির ১২৫ জন্ম বর্ষকে  স্মরণীয় করে রাখতে মুখ্যমন্ত্রী  জানান, মাঝেরহাট ব্রিজের নতুন নাম হবে ‘জয় হিন্দ।’  একইসঙ্গে রেলের তরফে অনুমোদন না মেলাতেই এই সেতু উদ্বোধন এতদিন আটকে ছিল বলে কেন্দ্রকে দোষারোপ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী বৃহস্পতিবার বিকেল চারটে নাগাদ এই নতুন সেতু উদ্বোধন করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Related Articles

Back to top button
Close