fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

রাজ্যের জরুরি ত্রাণ তহবিলে ১৫ হাজার টাকা দান বেলদা কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের

শান্তনু অধিকারী, সবং: বিশ্বমানবকে আজ একসূত্রে বেঁধেছে করোনা। সহস্র-লক্ষ-কোটি প্রাণ আজ নিবেদিত করোনামুক্ত পৃথিবী গড়ার কাজে। সেই কাজে ইতিমধ্যে সাড়া ফেলেছে বেলদা কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের একাধিক উদ্যোগ। সেই উদ্যোগে সর্বশেষ সংযোজন মুখ্যমন্ত্রীর গড়া ত্রাণ তহবিলে আর্থিক সহায়তা প্রদান। বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের হাতে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হল ১৫ হাজার টাকার চেক।

অ্যাসোসিয়েশনের একটি প্রতিনিধিদল জেলা প্রশাসনের হাতে চেকটি তুলে দিয়ে আসেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চেকটি গ্রহণ করেন জেলা তথ্যসংস্কৃতি আধিকারিক অনন্যা মজুমদার। উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি অখিলবন্ধু মহাপাত্র, যুগ্মসম্পাদক সুদীপ্ত মাইতি ও তপন মাইতি প্রমুখরা।

বেলদা কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন অনন্যা মজুমদারও।
প্রসঙ্গত ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সংস্থাটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে নানা অবদান রেখে চলেছে। এই করোনা-অধ্যায়ে অ্যাসোসিয়েশনের একাধিক উদ্যোগ রীতিমতো সাড়া ফেলেছে জনমানসে। গত পঁচিশে বৈশাখ ‘ক্ষুধিতেরে অন্নদান সেবা’ কিংবা করোনাযোদ্ধাদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন সংবাদমাধ্যমেরও নজর কেড়েছিল।

ওইদিন মোট ৩০০ জনের হাতে রান্না করা খাবার তুলে দেওয়া হয়েছিল সংস্থাটির তরফে। করোনা যুদ্ধে অক্লান্ত সেবাদানের জন্য বেলদা থানার ওসি গৌতম মাইতি, এসডিপিও সুমনকান্তি ঘোষ, নারায়ণগড় ব্লকের বিএমওএইচ ডাঃ আশিসকুমার মন্ডল এবং সমাজবন্ধু সুজিত চক্রবর্তীকে সংবর্ধিত করা হয়। এর পূর্বে গত ২৯ এপ্রিল বিশ্ব নৃত্যদিবসের দিন বেলদা থানার শালজোড়া এলাকায় ৭৫ জন দারিদ্র্য পীড়িত মানুষের হাতে খাদ্যসামগ্রীও তুলে দেয় সংস্থাটি।

বেলদা কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে অখিলবন্ধু মহাপাত্র বলেন, ‘সমাজকে বাদ দিয়ে তো আর সংস্কৃতি হয় না। তাই এই সংকটকালে সমাজের প্রয়োজনে যৎসামান্য অবদান রাখার চেষ্টা করেছি। সংস্কৃতি রক্ষার জন্য আগে সমাজকে রক্ষা করাটাই জরুরি।’ অখিলবাবু এই সংকটকালেও ঘোরতর আশাবাদী― এ বিশ্ব একদিন করোনামুক্ত হবেই। মানুষের জয় সুনিশ্চিত। মনুষ্যত্বের সারসত্তার অভিমুখে সভ্যতার চিরযাত্রায় বেলদা কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন এক সহযাত্রী মাত্র।

Related Articles

Back to top button
Close