fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বেলগাছিয়ার মাইক্রো প্ল্যানিং ভরসা যোগাচ্ছে বাগবাজারের সংক্রমণকে

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: সম্প্রতি পুরসভার মাইক্রো প্ল্যানিং এর ফলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বেলগাছিয়া বস্তিকে সুরক্ষিত করতে সক্ষম হয়েছিল কলকাতা পুরসভা। এবার উত্তর কলকাতার বাগবাজার বস্তির সংক্রমণেও ভরসা সেই মাইক্রো প্ল্যানিং। বৃহস্পতিবার পুরসভার আধিকারিকরা এমনটাই জানিয়েছেন। শহর কলকাতায় নতুন করে পুরকর্তৃপক্ষের চিন্তা বাড়িয়েছে বাগবাজারের একটি বস্তির ১৬ জন করোনায় আক্রান্ত এর খবর। কিন্তু মাইক্রো প্ল্যানিং পদ্ধতিতেই পূর্ণ আস্থা রয়েছে পুর কর্তৃপক্ষের। বেলগাছিয়া ও রাজাবাজারের বস্তিতে পুরসভা মাইক্রো প্ল্যানিং পদ্ধতির অন্তর্গত সোয়াব টেস্ট, স্যানিটাইজি স্প্রে, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইন আর্সেনিকা এলবাম ওষুধ বিতরণ এর মাধ্যমে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে এনেছিল। ঘরে ঘরে সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড জাতীয় স্যানিটাইজার স্প্রে করে কোরোনা ভাইরাস মুক্ত করেছিল। তাই বাগবাজারের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতিতে কাজ করে দ্রুত করোনাভাইরাস মুক্ত করা হবে ওই বস্তিকে।

আরও পড়ুন: চিনের দ্রব্য ব্যবহার করিস না, বন্ধুদের কাছে শেষ আর্জি ছিল শহীদ রাজেশের

এছাড়া বেলগাছিয়া বস্তির ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের স্বতপ্রণোদিত উদ্যোগ দেখা গিয়েছিল। যেমন কোন এলাকায় সংক্রমণ হলে বস্তিবাসীরা নিজেরাই ব্যারিকেড করে বা প্রশাসনকে খবর দিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আর্জি জানিয়েছিল। তবে বাগবাজারে ক্ষেত্রে এখনো সাধারন মানুষের স্বতঃপ্রণোদিত উদ্যোগ চোখে পড়েনি। তাই পুরসভার এ কার উদ্যোগে সবটা সম্ভব এমনটা মনে করছেন না পুরো কর্তৃপক্ষ। তাদের মতে পুরসভা মানুষকে সুস্থ স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দিতে যথোপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কিন্তু সাধারন মানুষের স্বতঃপ্রণোদিত উদ্যোগ না থাকলে তা বাস্তবায়িত করা অনেকটাই কঠিন।

অন্যদিকে, শহরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হলেও প্রতিদিন বেড়েই চলেছে এই সংক্রমণ। খবর মিলেছে কলকাতায় মুচিবাজার অঞ্চলে রানডাম টেস্টিং করা হয়েছিল ১০০ জনের। এই ১০০ জনের মধ্যে ৫ জন ব্যক্তির করোনা পজিটিভ। তাই প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে বস্তি অঞ্চলের সংক্রমণকে। এক পুর আধিকারিকের কথায়, আবাসনগুলির ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা লোকজনদের কোয়ারেন্টাইন করা অপেক্ষাকৃত সহজ। কিন্তু বস্তির ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে ঘিঞ্জি এলাকার জন্য । এমনকি একটি শৌচালয় ব্যবহার করেন বহু পরিবার। সে দিক থেকে দেখতে গেলে বস্তিতে গোষ্ঠী সংক্রমণের সম্ভাবনা অপেক্ষাকৃত বেশি। এক্ষেত্রে বেলগাছিয়া মডেল অনুসরণ করতে চাইছে প্রশাসন বলেও জানা গেছে ।

Related Articles

Back to top button
Close