fbpx
কলকাতাহেডলাইন

বেলগাছিয়া বস্তিও দেশের মধ্যে মডেল হওয়া উচিত: শান্তনু সেন

কলকাতা: বেলগাছিয়া বসতিকে গোটা দেশের মডেল করা উচিৎ। বৃহস্পতিবার এমনটাই দাবি করলেন রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান কথা তৃণমূল সাংসদ ডঃ শান্তনু সেন। লক্ষাধিক মানুষের বাস বেলগাছিয়া বস্তিতে। কিন্তু সেখানে এতদিনে সংক্রমিত হয়েছেন মাত্র ১৪ জন। মৃত্যু হয়েছে দুজনের। সংক্রমণ রোধের নেপথ্যে পুরসভার এন্টিজেন টেস্ট, মাইক্রো প্ল্যানিং ব্যবস্থা রয়েছে বলেই দাবি ওই এলাকার কাউন্সিলর শান্তনু সেনের। বিষয়টি উত্থাপন করে কেন্দ্রকে চিঠিও লিখেছেন শান্তনু।
রাজ্য সংক্রমণের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। কিন্তু প্রশাসনের যে আশঙ্কা ছিল সংক্রমণ ছড়ানোর ক্ষেত্রে বস্তি গুলি অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে বলে তা সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হয়েছে কয়েকদিনের সংক্রমিত এলাকার খবর থেকে। দেখা গিয়েছে সংক্রমণের বেশিরভাগ খবরই আসছে বহুতল ও বাজার গুলি থেকে। সেই তুলনায় শহরের বস্তি গুলিতে সংক্রমণের মাত্রা অনেক কম। এক লক্ষের বেশি জনসংখ্যার বেলগাছিয়া বসতিতে সংক্রমিতের সংখ্যা এই মুহূর্তে মাত্র ১৪। দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত একজন বাদে সকলেই সেরে উঠেছেন। নিসন্দেহে এই বসতিতে করোনা নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া প্রশংসনীয়। এনিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় চিঠি লিখেছেন কলকাতা পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শান্তনু সেন।
শান্তনু বাবু এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, “বেলগাছিয়া বসতিতে যখন প্রথম করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলল, সকলে চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। অনেকে ভেবেছিলেন, বসতি এলাকায় ভয়ংকর আকার নেবে এই সংক্রমণ। কিন্তু তা হয়নি। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে। এটা এলাকার সাধারণ মানুষের সাহায্যেই সম্ভব হয়েছে। বেলগাছিয়া বসতিকে গোটা দেশের মডেল করা উচিৎ।”
তিনি আরও বলেন, “প্রথম আক্রান্তের হদিশ মেলার সঙ্গে সঙ্গেই কলকাতা পুরসভা কড়া নজর রাখতে শুরু করে। শুরু হয় ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট। মাইক্রো প্ল্যানিং করে পুরসভা। ঘনঘন স্যানিটাইজ করা হচ্ছিল পুরো বসতি। এসবের পাশাপাশি, আইসিএমএরের নির্দেশিকা মেনে প্রত্যেক বসতিবাসীকে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন দেওয়া হয়েছিল।” বসতির বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পুরসভার তরফে তাঁদের কাউন্সিলিং করা হত। ঘরে থাকার জন্য বোঝানো হত। মহারাষ্ট্রের ধারাবিবরণীর পর কলকাতার বেলগাছিয়া বস্তি ও তাই করোনার সংক্রমণ রোধে মডেল ভর্তি হয়ে উঠতে পারে বলেই দাবি করেছেন তিনি।

Related Articles

Back to top button
Close