fbpx
অন্যান্যপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

নতুন সকালের অপেক্ষায় বাংলার কৃষকেরা : মহাদেব সরকার

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস : মোদিজীর সুযোগ্য নেতৃত্বে সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস কর্মসূচি রূপায়নের মাধ্যমে দেশ এগিয়ে চলেছে। ২০২১ এর নির্বাচনে এরাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য নতুন সকাল উদিত হবে। কৃষিক্ষেত্রে পরিকাঠামোগত পরিবর্তন সহ আর্থসামাজিক অবস্থার আমুল পরিবর্তন ঘটবে এরাজ্যের কৃষকদের।

 

 

বাম অপশাসনের ৩৪ বছর এবং পরিবর্তনের সরকার অর্থাৎ মা মাটি মানুষের সরকারের চলমান নয় বৎসরের চরম বঞ্চনার শিকার আজ রাজ্যের কৃষকেরা। বিজেপি কৃষান মোর্চার সদ্য নির্বাচিত রাজ্য সভাপতি মহাদেব সরকার নবপদে আসীন হওয়ার পরই যুগশঙ্খকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কথাগুলি বলছিলেন তিনি। তিনি আরো বলেন, দায়িত্ব গ্ৰহনের পর আমার এই মুহূর্তে প্রথম কাজ সংগঠনকে ঢেলে সাজানো, তারপরই রাজ্যের সমস্ত স্তরে অর্থাৎ ব্লক,জেলা এবং রাজ্যের কৃষি দপ্তর সমূহের সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধি সহ প্রকৃত তথ্য উদঘাটন, পর্যালোচনা, বিশ্লেষণ এবং আশু কর্মসূচি গ্ৰহন।

 

 

বিজ্ঞান সন্মত পদ্ধতিতে চিরাচরিত ধারার পরিবর্তন ঘটানোই আমার প্রাথমিক কাজ।রাজ্যের কৃষকেরা,তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না,রাজ্য সরকারের স্বজন পোষন নীতিই এজন্য দায়ী এবং এর ফলে কৃষকেরা সমস্ত দিক থেকে আজ বঞ্চিত হয়ে চলেছেন।লোকসমাগম বহির্ভূত, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন স্থানে নির্মিত কৃষাণ মান্ডি কৃষক কল্যাণে কোন কাজেই লাগছে না,বরঞ্চ দুর্নীতি সহ অসামাজিক কার্যকলাপের আঁতুরঘরে পরিনত হয়েছে।এই সমস্ত সমস্যা গুলির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো সহ কৃষকের ন্যায় অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সামিল হ ওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। লকডাউন উঠে গেলেই জনসংযোগ বৃদ্ধি সহ কৃষক জন হিতকর কর্মসূচি রূপায়নে পথে নামবেন বলে জানালেন মহাদেববাবু।সুমিষ্ট হাসি, পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মহাদেব সরকার, সংগঠনের এই গুরুদায়িত্ব পেয়ে গর্বিত।

 

 

রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদিজীর স্বপ্নের ভারত নির্মানে দেশের কৃষক সমাজের অগ্ৰনী ভূমিকার উল্লেখ করে মহাদেব বাবুর সংকল্প, মোদীজীর দেখানো পথে ই এগিয়ে চলবে ভারত এবং সে ক্ষেত্রে দেশের কৃষক সমাজের ভূমিকা অপরিসীম। কৃষকের স্বপ্নপূরণে নিজেকে সঁপে দেওয়ার ব্রত দিয়ে রাজনীতির নতুন অধ্যায়ের করমাভিযান শুরু বলে মন্তব্য মহাদেব সরকারের।

 

 

কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম সহ কৃষাণ ক্রেডিট কার্ডের সরলীকরণ, কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষাণ সমৃদ্ধি যোজনা কার্যকর সহ সার্বিক ন্যায় অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অভিযান শুরু বলে জানালেন,মহাদেব বাবু।মহাদেব বাবুর রাজনীতি তে হাতেখড়ি ছাত্রাবস্থা থেকেই। তিনি প্রথম থেকেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের একনিষ্ঠ কর্মী। ইতিপূর্বে দায়িত্ব সামলেছেন, সংগঠনের বুথ স্তর থেকে ব্লক এবং জেলা পর্যায় পর্যন্ত। দু-দু বারের সংগঠনের জেলা সম্পাদকের দায়িত্ব সামলেছেন। নদীয়া জেলা (উত্তর)এর সভাপতি পদে অত্যন্ত দক্ষ সংগঠক হিসাবে নেজেকে প্রমানের ফল স্বরূপ ই এই রাজ্য সভাপতির পদ উপহার বলে দলের শুভাকাঙ্ক্ষীরা মনে করেন। রাজ্যের বামফ্রন্ট শাসন কাল থেকেই নিজের গ্ৰাম পঞ্চায়েত সাধন পাড়া ১ নং গ্ৰাম পঞ্চায়েতটি মহাদেব বাবুর নেতৃত্বে দখলে রেখেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। মহাদেব বাবুরই সুযোগ্য নেতৃত্বে বিগত ২০১৮ এর ত্রিস্থর গ্ৰাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক তৃণমূলের শত বাধা বিপত্তিকে উপেক্ষা করে ও ৫৫০ গ্ৰাম পঞ্চায়েত আসন যার মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৫৪০ বিজেপির দখলে,৫৬টি পঞ্চায়েত সমিতি এবং ২ টি জেলা পরিষদের আসন জিতিয়ে আনতে সমর্থ হয়েছেন মহাদেব বাবু। দীর্ঘ দিন যাবৎ স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতির সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন সহ জেলার ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে যথেষ্ট সুনাম আছে মহাদেব বাবুর। কৃষি ক্ষেত্রে মহাদেব বাবুর সুযোগ্য নেতৃত্বে ব্যাপক সাফল্য আসবে বলে সকলেই আশাবাদী।

Related Articles

Back to top button
Close