fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

বাংলায় রেহাই, সিত্রাংয়ের তাণ্ডবলীলায় লণ্ডভণ্ড বাংলাদেশ, মৃত কমপক্ষে ৯

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্ক: এযাত্রায় রেহাই পেল বাংলা। কিন্তু সিত্রাংয়ের তাণ্ডব থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারল না বাংলাদেশ। গতকাল রাতে থেকেই তাণ্ডবলীলা দেখাতে শুরু করেছে সিত্রাং। মধ্যরাতে সর্বশক্তি নিয়ে আছড়ে পড়ে বাংলাদেশের বরিশালে। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী কমপক্ষে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, সোমবার রাতেই এই ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগ আছড়ে পড়ে উপকূলবর্তী এলাকায়। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রবল ঝড় বৃষ্টির সম্মুখীন বাংলাদেশ। ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগের পর কেন্দ্র আঘাত হানার পর লণ্ডভণ্ড হয় বিভিন্ন জায়গা। বিদ্যুৎ বিপর্যয় সহ ইন্টারনেট পরিষেবা বিঘ্নিত হয়।

এমনকি বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ায় হাসপাতালে জটিল অস্ত্রোপচার বন্ধ হয়ে যায়। সোমবার সকাল থেকে ঝড় বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর রাত বাড়তেই বাংলাদেশে এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব যথেষ্ট বৃদ্ধি পায়। এই ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্র ভোলার উপর দিয়ে যাই বলে জানা যাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবের ফলে সোমবার মধ্যরাত পর্যন্ত বাংলাদেশে যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে তারা কুমিল্লার ৩ জন, ভোলার ২ জন, নড়াইলের ১ জন, বরগুনার ১ জন এবং সিরাজগঞ্জের ২ জন।

এছাড়াও এই ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে বিভিন্ন জায়গায় যান চলাচল স্তব্ধ হয়ে পড়ে। কালীপুজোর সময় বঙ্গোপসাগর থেকে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় নিয়ে যেভাবে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে, সেই আশঙ্কা অনুযায়ী প্রভাব ফেলতে পারেনি এই ঘূর্ণিঝড়। তবে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে সোমবার থেকেই হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি দেখা গিয়েছে। অন্যদিকে মৌসম ভবনের তরফ থেকে চার রাজ্যে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড় নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার পর ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে ত্রিপুরা, মিজোরাম, অসম এবং মেঘালয়ে। তবে মঙ্গলবার সকাল থেকেই আবহাওয়ার উন্নতি হতে শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গে। হাতেগোনা কয়েকটি জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হবে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হতে পারে এবং মুর্শিদাবাদ ও নদিয়াতে। কলকাতাতে সেভাবে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই।

 

Related Articles

Back to top button
Close