fbpx
কলকাতাহেডলাইন

উন্নয়নের তীর্থ ক্ষেত্র বাংলায় বহিরাগতদের শিক্ষানবিশ হিসেবে স্বাগত, বিজেপিকে কটাক্ষ চন্দ্রিমার

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: বিজেপির পাঁচ কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষককে বহিরাগত বলে কটাক্ষ করলেন তৃণমূল কংগ্রেস মহিলা সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপিকে। চন্দ্রিমা বলেন, ‘যদি শিক্ষানবিশ হয়ে বাংলায় উন্নয়ন দেখতে আসেন কোন অসুবিধা নেই, তবে বাংলা জয়ের দিবা স্বপ্ন দেখলে আপত্তি আছে।’ পাশাপাশি তিনি বাংলাকে উন্নয়নের তীর্থ ক্ষেত্র বলেও দাবি করেন। সম্প্রতি বঙ্গে বিজেপির বিস্তার খতিয়ে দেখতে এসেছেন বিজেপির পাঁচ সদস্যের এক কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক প্রতিনিধি দল। ইতিমধ্যেই তারা শাসক দলের বিভিন্ন গতিবিধির ওপর নজর রাখতে শুরু করেছেন। কারণ বিজেপির টার্গেট এখন বাংলা। বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যে জেলার পাঁচটি জোনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে। আর তাতেই এবার একেবারে জ্বলে উঠেছে তৃণমূল। তাই দলের জাতীয় মুখপাত্র শশী পাঁজা, ও সুখেন্দু শেখর রায়ের পর এবার বিজেপিকে আক্রমণ শানিয়ে আসরে নামলেন চন্দ্রিমা।

এদিন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বাংলার উন্নয়নের সঙ্গে বিজেপি শাসিত রাজ্যের তুলনা টেনে বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে শিখতে হবে অন্যদের। স্বাস্থ্য থেকে শিক্ষা, বাংলা থেকে অন্যদের শেখার অনেক কিছু আছে। বাংলার উন্নয়ন দেখে নিজেদের রাজ্যে তা প্রয়োগ করুন। বাংলা এমনই একটা প্রদেশ যদি কোন বহিরাগত তাদের অদ্ভুত চিন্তা এবং স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দেবেন বলে লাল চক্ষু দেখান, তাহলে সেই বহিরাগতদের বাংলার মানুষ মানেন না। যারা আজকে বাইরে থেকে আসছেন, বলছেন, গুজরাট করে দেবেন। তারা একটু শুনুন তাদের রাজ্য কোথায় আর আমাদের রাজ্য কোথায়।’

এর পরই বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির স্বাস্থ্যক্ষেত্রের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন চন্দ্রিমা। সরকারি হাসপাতালে শয্যার সংখ্যা তুলে ধরে বোঝানোর চেষ্টা করেন পশ্চিমবঙ্গ অনেক এগিয়ে। কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পকে কটাক্ষ করেন তিনি। বলেন ওই প্রকল্পে দেশের ৫০ কোটি মানুষ সুবিধা পাবে। ৮০ কোটি মানুষ পরিষেবার বাইরে থাকবেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প তার আনেক আগে চালু হয়েছে। এই প্রকল্পে রাজ্যের ১০ কোটি বাসিন্দার মধ্যে ৭.৫ কোটি ইতিমধ্যে পরিষেবা পাচ্ছেন। তাছাড়া আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের ৪০ শতাংশ টাকা রাজ্য সরকারকে দিতে হবে। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূরদর্শিতাতেই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মেডিক্যাল কলেজ পর্যন্ত বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়া যায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Related Articles

Back to top button
Close