fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

রাজ্যের ‘সন্ত্রাসের সরকার’কে তাড়িয়ে বিজেপির সরকার এনে সোনার বাংলা গড়ার ডাক ভারতী ঘোষের

রাজকুমার আচার্য, নন্দীগ্রাম: রাজ্যের ‘সন্ত্রাসের সরকার’ কে তাড়িয়ে বিজেপির সরকার এনে সোনার বাংলা গড়ার ডাক দিলেন বিজেপির রাজ্য সহ সভানেত্রী ভারতী ঘোষ। শুক্রবার নন্দীগ্রামে বিজেপির বাইক মিছিল ও পরে সভায় বিপুল জন জোয়ার দেখা গেল।

এদিন বিকেলে নন্দীগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের রেয়াপাড়া থেকে বিশাল বাইক মিছিল করে ১ নম্বর ব্লকের টেঙ্গুয়া বাসন্তী মন্দিরের মাঠে ভারতী ঘোষকে নিয়ে আসে বিজেপির কার্যকর্তারা। টেঙ্গুয়া মোড়ের ব্রিজের দু’পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে বিজেপির মহিলা মোর্চার সদস্যরা তাঁকে ফুল ছড়িয়ে স্বাগত জানান। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তমলুক সাংগঠনিক জেলা সভাপতি নরারুণ নায়েক, সহ সভাপতি প্রলয় পাল, নন্দীগ্রাম পূর্ব মণ্ডল সভাপতি ধনঞ্জয় ঘোড়া প্রমুখ।

ভারতী ঘোষ তার বক্তব্যে বলেন, ‘জমি আন্দোলনে সামনে থেকে নন্দীগ্রামের মানুষ প্রাণ দিয়ে শহিদ হয়েছিলেন। তৎকালীন বিরোধী নেত্রী ১২ ঘন্টা বন্ধ পালন করে বলেছিলেন, আমরা এসে ন্যায় বিচার দেবো মানুষকে। সেই নেত্রী নন্দীগ্রামের সিঁড়ি বেয়ে নবান্নে বসে আছেন কিন্তু নন্দীগ্রামের শহিদদের বাড়িতে আজকেও ন্যায় বিচার পৌঁছায়নি। যে পুলিশ অফিসাররা বাচ্চা-বাচ্চা ছেলেদের গুলি করে মেরেছিল তাঁদের ন্যায় বিচারের আদালতে না নিয়ে এসে মাননীয়া প্রমোশন দিয়ে তাঁদের একজনকে তৃণমূলে নিয়ে এসেছেন। নন্দীগ্রামে কি শিল্প এসেছে? নন্দীগ্রামে শুধু নাই নাই, শুধুই শূন্য। নন্দীগ্রামের মাটি আজ ডাক দিয়েছে তৃণমূল সরকার আর নেই দরকার।’

ভারতী ঘোষের বক্তব্য চলার মাঝে দর্শক আসন থেকে চিৎকার ওঠে ‘চাল চোর সরকার আর নেই দরকার।’ আবার ভারতী ঘোষ বলতে শুধু করেন, ‘মানুষের মধ্য থেকে আওয়াজ উঠেছে চাল চোর সরকার। আমি বলব, দুর্নীতির সরকার, সন্ত্রাসের সরকার, বেকারত্বের সরকার, মানুষকে অপমান করার সরকার, ত্রাণের জিনিস চুরি করার সরকার আর নেই দরকার।’ এরপর তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রসংশা করেন। বলেন, ‘মোদিজী কৃষকদের জন্য ৬ হাজার টাকা করে পাঠিয়েছেন সেই টাকা মাননীয়া কৃষকদের দিতে দেননি। অথচ দিল্লির কৃষকদের দিকে তাকিয়ে ওঁনার বুক ফেটে যাচ্ছে!’

এছাড়াও ভারতী ঘোষ এদিন প্রায় ১০ মিনিটের বক্তব্যে রাজ্য সরকারের নানা বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি বাংলায় সুশাসন এবং সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য মোদিজীর হাতকে শক্ত করতে একুশের ভোটে বিজেপিকে দিকে দিকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করতে মানুষকে আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্যের শেষে তিনি ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি তোলেন। তারপরেই দর্শকদের জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে সভা স্থল।

Related Articles

Back to top button
Close