fbpx
আন্তর্জাতিকদেশহেডলাইন

এবার ভুটানের সাকতেং এলাকায় নজর ড্রাগনের, ‘নো টু চায়না’য় উত্তপ্ত থিম্পু, পাশে ভারত

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্কঃ নেপালের পর এবার ভুটানের দিকে নজর ড্রাগনের।সম্প্রতি ৫৮ তম গ্লোবাল এনভায়রমেন্ট সামিটে ভুটানের সাকতেং অভয়রন্যকে ‘ডিসপুটেড টেরিটোরি’ বা বিতর্কিত এলাকা বলে ঘোষণা করে। এরপরই ওই অভয়ারন্যের জন্য সম্মিলিত আর্থিক সহায়তায় অস্বীকার করেছে চিন। পাশাপাশি ভুটানের সাকতেং এলাকায় প্রকল্পে যাতে অন্য কোনও দেশ অর্থনৈতিক ভাবে পাশে না দাঁড়াতে পারে, সেই তৎপরতাও দেখিয়েছে বেজিং।

তবে বেজিংয়ের এই কথার পাল্টা দিতে ভোলেনি থিম্পু। সাকতেং কোনওকালেই বিতর্কিত এলাকা ছিল না। সাকতেং ভুটানের অবিচ্ছেদ্দ্য অংশ, এই মর্মেই বেজিংকে কড়া বার্তা পাঠানো হয়েছে থিম্পুর পক্ষ থেকে।

 

ঘটনার সূত্রপাত গত ২রা জুন, সেদিন ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্কে সাকতেং প্রকল্পে অর্থায়ন নিয়ে আলোচনার সময় বিষয়টিতে বাধা দেন ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্কে চিনা প্রতিনিধি জংঝিং ইয়ং। ওই বৈঠকেই প্রকল্পের বিরুদ্ধে একটি নোটের মাধ্যমে চিনের অবস্থান জানান ইয়ং।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্কে এনভায়রমেন্ট ডেভেলপমেন্টাল ডিপার্টমেন্টে ভুটানের কোনও প্রতিনিধি নেই। ভারতের একমাত্র স্থায়ী প্রতিনিধিই অপর্না সুব্রমনি যিনি ভারতের পাশাপাশি নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন।

অপর্নার কাছে বিষয়টি আসতে তিনি বলেন, গোটা  বিষয়টি খতিয়ে দেখার পরই তিনি বলেন, এখানে কোনও দ্বিধা নেই। এলাকাটি ভুটানের,চিনের কথা মতো বিষয়টিকে দেখা সম্পূর্ন অনৈতিক হবে বলেই তিনি জানিয়েছেন।

 

অন্যদিকে, চিনের এই পদক্ষেপ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে  ভুটানে।নো টু চায়না’ পোস্টারে প্রতিবাদ মিছিলও বেরিয়েছে রাজধানী থিম্পুর একাধিক এলাকাতেও।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ডোকলাম সংঘাত নিয়ে উত্তপ্ত হয়েছিল চিন-ভুটান সম্পর্ক। সেই সময় ডোকলামে গিয়ে চিনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে ভারতীয় সেনা।

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close