fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

এশিয়ার বৃহত্তম রায়গঞ্জ কুলীক পক্ষীনিবাসে পাখি গণনার কাজ শুরু হল 

পাখির সংখ্যা বাড়বে, আশাবাদী বনদফতর

শান্তনু চট্টোপাধ্যায়, রায়গঞ্জঃ এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম রায়গঞ্জ কুলিক পক্ষীনিবাসে ২০২০ সালের পাখি গণনার কাজ শুরু হলো রবিবার । বনদপ্তর এর উদ্যোগে উত্তরদিনাজপুর পিপল ফর এনিমেলস, রায়গঞ্জ পিপল ফর এনিম্যালস ও হেমতাবাদ জনকল্যাণ সমিতির সদস্যরা এই পাখি গণনার কাজে অংশ নিয়েছে।

প্রথম দিনের এই কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন সঙ্গে ছিলেন রেঞ্জার প্রতিমা লামা, ডেপুটি রেঞ্জার বরুন সাহা, উঃ দিনাজপুর পিপল ফর এনিম্যালস এর সম্পাদক গৌতম তান্তিয়া সহ অন্যান্যরা। এদিন বৃষ্টিমুখর আবহাওয়া থাকলেও নিয়ম মেনেই চলেছে পাখি গণনার কাজ। আগামী দুদিন ধরে এই গণনার কাজ চলবে। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে গণনা কর্মীরা প্রথমে প্রতিটা গাছের নাম্বারিং করবেন প্রথমে। দ্বিতীয় ধাপে প্রতিটি গাছে কটা করে পাখির বাসা আছে সেটা গোনা হচ্ছে। সাধারণত একটি বাসায় শাবক সহ চারটি পাখি থাকে। সবশেষে সমস্ত গাছে ও পাখির বাসার সংখ্যা গড় করে মোট পাখির সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে ।

    আরও পড়ুন: একুশের আগে দুদিনের সফরে রাজ্যে আসছেন সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত

বনদফতরের ধারনা, এবছর পাখির সংখ্যা অনেকটাই বাড়বে। উল্লেখ্য প্রতিবছর জুন মাসের দিকে পরিযায়ী পাখির আগমন শুরু হলেও, এই বছর মে মাস থেকেই পরিযায়ী পাখিরা কুলিকে আসতে শুরু করেছিল । বর্ষাকালও এবছর আগেই শুরু হয়েছে । ২০১৮ সালে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা রেকর্ড বৃদ্ধি ( ৯৮,৫৬২) পেয়েছিল বলে কুলিক পক্ষীনিবাস এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সর্ব বৃহত্তম পক্ষীনিবাস হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে, যদিও তার পরের বছর ২০১৯ সালে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা কিছুটা কমে যায়। তবে গণনা কর্মীদের আশা এবছর পাখির সংখ্যা ২০১৮ সালের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে যাবে। জেলা মুখ্য বনাধিকারিক সোমনাথ সরকার বলেন,” রবিবার থেকে গণনার কাজ শুরু হয়েছে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে। বনকর্মীরা ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলিও এতে যোগ দিয়েছে। আমাদের আশা এবছর পাখির সংখ্যা বাড়বে।”

Related Articles

Back to top button
Close