fbpx
অন্যান্যঅফবিটকলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

বিশ্বকর্মা পুজো মানেই আকাশজুড়ে পেটকাটি, চাঁদিয়াল, ময়ূরপঙ্খীর মেলা

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বকর্মা পুজো মানেই আকাশ জুড়ে ঘুড়ির মেলা। পেটকাটি, চাঁদিয়াল, ময়ূরপঙ্খী, মুখপোড়া আরও কত নামের ঘুড়ি যে আকাশ আলো করে থাকে তা আর নতুন করে বলার কিছু নেই।  আর বিশ্বকর্মা পুজো মানেই দুর্গাপুজোর সূচনা। কিন্তু বিশ্বকর্মা পুজোর সঙ্গে ঘুড়ির সম্পর্ক কি? কেনই বা এই পুজোয় আকাশে ঘুড়ির মেলা দেখা যায়? সেই কারণ অনেকেরই অজানা। যেইসব জায়গাতেই যন্ত্রের দ্বারা কাজ হয়, যেখানেই কারিগরির কাজ হয় সেখানেই বিশ্বকর্মা পুজো হয়।

ঋগবেদ অনুসারে, বহু বছর ধরেই বাংলায় বিশ্বকর্মা পুজোর দিন আকাশে ঘুড়ি ওড়ে। বহু আগে বেশ কিছু ধনী ব্যক্তি বিশ্বকর্মার দিন আকাশে ঘুড়ি ওড়াতেন। নিজের অর্থ-প্রতিপত্তি সকলের সামনে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আকাশে  ঘুড়ির সঙ্গে টাকা বেঁধে ওড়াতেন ধনী ব্যক্তিরা। কিন্তু বিশ্বকর্মা পুজোতেই ঘুড়ি কেন ওড়ে?

[আরও পড়ুন – বিশ্বকর্মা পুজো মানেই আকাশজুড়ে পেটকাটি, চাঁদিয়াল, ময়ূরপঙ্খীর মেলা]

পুরাণ মতে, বিশ্বকর্মাকে বলা হয় দেবলোকের কারিগর। বিশ্বকর্মাকে দেবতাদের ইঞ্জিনিয়ার বলা হয়। কথায় বলে কৃষ্ণের বাসস্থান দ্বারকা নগরী গড়ে উঠেছিল বিশ্বকর্মার হাতে। এছাড়াও বিশ্বকর্মাকে স্থাপত্য এবং যন্ত্রবিজ্ঞান বিদ্যার জনক বলা হয়। আমরা অনেকেই বিশ্বাস করি যে, দেবতারা সুন্দর রথে চেপে আকাশপথে উড়ে বেড়ান। পুরান মতে বিশ্বকর্মা দেবতাদের রথ তৈরি করতেন। আর এই কারণেই বিশ্বকর্মাকে দেবতাদের ইঞ্জিনিওর বলা হয়।  আর দেবতাদের এই  রথকে স্মরণ করতেই, তাঁর পুজোর দিন ঘুড়ি ওড়ানোর প্রচলন শুরু হয়।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খন্ড, উত্তরপ্রদেশ, অসম, ওড়িশা এবং ত্রিপুরায় বিশ্বকর্মা  পুজোয় বেশী আনন্দ করা হয়। ভারতের নানা প্রান্তে মকর সংক্রান্তিতে ঘুড়ি ওড়ানোর রেওয়াজ আছে। কিন্তু এ রাজ্যে বিশ্বকর্মা পুজোই হল সবচেয়ে বড় ঘুড়ি ওড়ানোর উৎসব।

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close