fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

তৃণমূল নেতার স্বজনপোষন ও দলবাজির ভিডিও ভাইরাল, এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর, অভিযোগ জানাল বিজেপি 

মিলন পণ্ডা, ভগবানপুর (পূর্ব মেদিনীপুর):  তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে দলবাজি ও স্বজনপোষনের ভিডিও ভাইরাল। এলাকায় বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচিত। তাই কোনওভাবেই মিলছে না সরকারী সাহায্য ও সহযোগিতা। ভগবানপুরে বিধায়ক অর্ধেন্দু মাইতির ভাই তথা শিমুলিয়া তৃণমূলের পঞ্চায়েত উপপ্রধান দীপ্তেন্দু মাইতির কাছে সহযোগিতা চাইতে গিয়ে হুমকির শিকার হলেন এক বিজেপি কর্মী ও তার পরিবারের সদস্যরা। ঘটনাটি ঘটছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর ১ ব্লকের শিমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। আর সেই হুমকির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

এই ঘটনার পর গোটা এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়।এই ভিডিও সামনে আসার পরই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এই ঘটনার পরই বিডিও কাছে অভিযোগ করল বিজেপি। জানা গিয়েছে, ভগবানপুরে ১ ব্লকের শিমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়তের বাড় ভগবানপুরে বাসিন্দা তথা বিজেপি কর্মী বাসুদেব পট্টনায়কের অভিযোগ, এলাকায় বিজেপি দল করার কারণে বিভিন্ন সরকারী সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এলাকায় গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের একশো দিনের জবকার্ড করতে গিয়েছিলেন। বিজেপি করার অপরাধে কার্ড হবে না। শুধু তাই নয় বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিতে থাকে ওই তৃণমুলের পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বলে অভিযোগ।

অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

ওই বিজেপি কর্মী অভিযোগ করে বলেন, তৃণমূলের উপপ্রধান পঞ্চায়েত অফিসে সিগারেট খেতে খেতে হুমকি দিয়ে বলেন তোমাদের কোন জব কার্ড হবে না কারণ তোমরা বিজেপি দল করো। এটা কোনও রামকৃষ্ণ মিশন নয়। আরও অভিযোগ করে বলেন আমি তৃনমুলের ভোটে জিতেছি। তাই অন্য দল করলে তাদের কোনওভাবেই সহযোগিতা করবো না।

এই কথোপকথনে ভিডিও কোটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। এই তৃণমূলের পঞ্চায়েত উপপ্রধানের সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল ঘটনার গোটা রাজনীতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়। বুধবার এই ভিডিও ভাইরালের পর বিজেপি নেতৃত্ব বিডিও কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ভাইরাল ভিডিও নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভগবানপুর এর বিধায়ক অর্ধেন্দু মাইতি ভাই তথা  শিমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান দীপ্তেন্দু মাইতি।তিনি দাবি করেছেন এরকম কোন কথা তিনি বলেননি। এই ঘটনা তিনি ভগবানপুর থানার অভিযোগ জানাবেন।

কাঁথি সাংগঠনীক বিজেপি সভাপতি অনুপ চক্রবর্তী বলেন শাসকদলের পরিচালিত ভগবানপুর ১ ব্লকের শিমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল উপপ্রধান দীপ্তেন্দু মাইতি বলেছেন মানুষের কোন দাম নেই, আমরা মানুষের কোন সহযোগিতা করব না। গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস এখন তৃণমূলের পার্টি অফিসে পরিনত হয়েছে। আমরা আহবান করছি মানুষের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামুক। এই রকম বর্বর শাসক দলের কাছ থেকে এর থেকে বেশি কিছু আশা করা যায় না।সাধারন মানুষ এর হিসেব বুঝিয়ে দেবে, আর বর্বর শাসনের অবসান ঘটবে।

ভগবানপুর ১ ব্লকের বিডিও পঙ্কজ কোনার বলেন একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অপর দিকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারন সম্পাদক কনিস্ক পণ্ডা বলেন বিজেপির এই নোংরা রাজনীতি মানুষ বুঝে গেছে। ত্রান নিয়ে দলবাজি করা থেকে শুরু করে সবকিছু করছে বিজেপি। এই নিয়ে আমরা আইনের দ্বারস্থ হচ্ছি। আইনীএর কথা বলবে তা সত্য প্রকাশ পাবে।

Related Articles

Back to top button
Close