fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিজেপির বুথ কমিটির সম্পাদককে পিটিয়ে খুন

জেলা প্রতিনিধি, তুফানগঞ্জ: বিজেপির বুথ কমিটির সম্পাদককে পিটিয়ে খুন। অভিযোগ তীর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম কালাচাঁদ কর্মকার। ঘটনায় বুধবার সকাল থেকে উত্তেজনা ছড়িয়েছে তুফানগঞ্জের নাককাটি গাছ গ্রাম পঞ্চায়েতের চামটা গ্রামের কর্মকারপাড়ায়। তুফানগঞ্জ থানার ওসি রাহুল তালুকদারের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী রয়েছে ঘটনাস্থলে। এলাকার পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে তুফানগঞ্জ মহাকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার কালাচাঁদ কর্মকারকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনায় থমথমে গোটা এলাকা।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, এলাকার স্থানীয় বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকারকে বুধবার সকালে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। তুফানগঞ্জ যুব মোর্চার সদস্য প্রসেনজিৎ বসাক বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এবং পরিকল্পিত ভাবে তাদের সদস্যদের খুন করছে তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। শুধু তাই নয় প্রতি ক্ষেত্রেই পারিবারিক দ্বন্দ্ব বা পাড়া গত অশান্তিকে কাজে লাগিয়ে ষড়যন্ত্র করছে তারা। এমত পরিস্থিতিতেই ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রচুর মায়ের কোল খালি হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
জেলা বিজেপি সভানেত্রী মালতি রাভা বলেন, আমরা অত্যন্ত দুশ্চিন্তার সঙ্গে দিন কাটাচ্ছি, কারণ গ্রামাঞ্চলে বিজেপির কর্মীরা কোনমতেই সুরক্ষিত নয়। পুলিশ কার্যত দর্শকের ভূমিকায় রয়েছে। এ দিন সকালেও একই ধরনের চক্রান্ত করে নাককাটি গাছ এলাকায় আমাদেরই দলের কর্মীকে খুন করা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে আমরা তীব্রতর আন্দোলন গড়ে তোলার শপথ গ্রহণ করছি।

উল্লেখ্য, কালীপুজোকে কেন্দ্র করে আগে থেকেই এলাকার দুই ক্লাবের মধ্যে রেষারেষি রয়েছে। মঙ্গলবার রাতে দুই ক্লাবেরই বিসর্জন অনুষ্ঠান ছিল। সেইখানে কোনও গন্ডগোল হয়েছে কিনা তা নিয়ে তদন্ত করছে তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ। যদিও গোটা ঘটনার কথা অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র শিবু পালের দাবি, এলাকায় কালীপুজো নিয়ে গন্ডগোল হয়েছে। বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে এই ঘটনায় রাজনৈতিক রং লাগাচ্ছে। এই ঘটনার সঙ্গে তুমুল কংগ্রেসের কোনও যোগাযোগ নেই। যদিওবা এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক তৃণমূলকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:মতুয়াদের নাগরিকত্ব আদায়ের ক্ষেত্রে কোনও আপস নয়, সিএএ লাগু হবেই এরাজ্যে: জগন্নাথ সরকার 

কোচবিহার জেলা পুলিশ সুপারকে কান্নান জানান, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কোনো সংযোগ নেই দুই ক্লাবের মধ্যে গন্ডগোলের কারণেই খুন হয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Related Articles

Back to top button
Close