fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

শিমুলবেড়িয়া গ্রামে বিজেপি প্রতিনিধি দল

অমিতাভ মণ্ডল, ঢোলাহাট:‌ ঢোলাহাটের শিমুলবেড়িয়াতে শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠা নিয়ে পুলিশ-‌জনতা খণ্ডযুদ্ধে নীরিহ গ্রামবাসীদের পাশে দাঁড়াল বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির কর্মী সমর্থকদের বাড়িতে ঢুকে পুলিশি অত্যাচারের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সোমবার বেলায় গ্রামে আসেন মথুরাপুর জেলা বিজেপির সভাপতি দীপঙ্কর জানা, রবিন দাস, পলাশ রানা। গ্রামে ঢোকার আগে প্রথমে তাঁরা দলীয় নেতা কর্মীদের কাছ থেকে শিমুলবেড়িয়ার ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেন।

 

গ্রামের ঘুরে দেখার সময় বেশ কয়েকটি বাড়ি থেকে পুলিশি অভিযানের নামে তাণ্ডবের অভিযোগ ওঠে। গ্রামবাসীদের আশ্বস্ত করে পুলিশের ভয়ে গ্রাম ছাড়াদের বাড়ি ফেরার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে যদি কোনও সমস্যা হয় তাহলে দল পাশে থাকবে বলে জানান নেতৃত্ব। তবে সুন্দরবন পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে গ্রামবাসীদের ওপর পুলিশি জুলুমের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
গ্রাম ঘুরে দেখে মথুরাপুর জেলা সভাপতি দীপঙ্কর জানা জানান, গ্রামের বেশ কয়েকটি বাড়িতে পুলিশ ভাঙচুর চালিয়েছে তার নিদর্শন আমরা স্বচক্ষে দেখলাম। নিরাপরাধ ব্যক্তিরা পুলিশের ভয়ে গ্রাম ছাড়া। গুটি কয়েক মানুষ যারা গ্রামে আছেন তারা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। একটা অন্যায় ঢাকতে গিয়ে আরও একটা অন্যায় করাটা অপরাধ। পুলিশ প্রশাসন যেভাবে গ্রামের মধ্যে ঢুকে সিভিক পুলিশ কে দিয়ে কিছু গুন্ডাবাহিনী নিয়ে এলাকার মধ্যে দেখে দেখে বিজেপি পরিবারের উপর যেভাবে এই কান্ড করলো এটা খুব নক্কারজনক। এটাকে আমরা ঘৃণা করি।

 

পুলিশের কাছে আমাদের দাবি, যে সমস্ত বাড়িতে অত্যাচার চালানো হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ পুলিশকে দিতে হবে। এটা একরকম রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। আমরা পুলিশকে তিনদিন সময় দেব। যদি পুলিশ ব্যবস্থা না নেয় তাহলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব। ঘটনাস্থল থেকে ফিরে দক্ষিণ রায়পুরে এক মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন নেতৃত্ব। প্রসঙ্গত শিমুলবাড়িয়া পাওয়ার হাউসের সামনে সরকারি জমিতে শিবলিঙ্গ বসানোকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে তিনজন পুলিশ গুরুতর জখম হন। এই ঘটনায় ২৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তরা কেউ জামিন পায়নি।

Related Articles

Back to top button
Close